গোয়েন্দা সংস্থা দিয়ে বিরোধীদলের ওপর নজরদারি নিয়ে সংসদে প্রশ্ন
রাষ্ট্রের গোয়েন্দা সংস্থা ব্যবহার করে বিরোধী দলের ওপর নজরদারি চালানোর প্রকাশ্য ঘোষণা নিয়ে জাতীয় সংসদে তীব্র প্রশ্ন তুলেছেন কুমিল্লা-৪ আসনের সংসদ সদস্য।
রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ গোয়েন্দা সংস্থা ব্যবহার করে বিরোধীদলের ওপর নজরদারি চালানো এবং সে বিষয়ে প্রকাশ্য ঘোষণা দেওয়া একজন প্রধানমন্ত্রীর জন্য কতটুকু যুক্তিযুক্ত—তা নিয়ে জাতীয় সংসদে তীব্র প্রশ্ন তোলা হয়েছে। কুমিল্লা-৪ আসনের সংসদ সদস্য ও জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) প্রতিনিধি এই বিষয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেন।
সংসদে প্রশ্ন ও ক্ষোভ প্রকাশ
সংসদে আলোচনা চলাকালে সংসদ সদস্য উল্লেখ করেন যে, রাষ্ট্রীয় গোয়েন্দা সংস্থাসমূহকে কোনো রাজনৈতিক দল বা বিরোধী পক্ষের ওপর নজরদারির কাজে ব্যবহার করা স্বাধীন ও গণতান্ত্রিক শাসনব্যবস্থার মূলনীতির পরিপন্থী। একজন সরকারপ্রধান হিসেবে এভাবে গোয়েন্দা সংস্থাকে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে ব্যবহারের কথা প্রকাশ্যে ঘোষণা দেওয়া নিয়ে নানা বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে।
রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানের নিরপেক্ষতা রক্ষার দাবি
আলোচনায় বলা হয়, জনগণের করের টাকায় পরিচালিত রাষ্ট্রীয় গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর মূল দায়িত্ব দেশের সার্বভৌমত্ব, নিরাপত্তা ও জাতীয় স্বার্থ রক্ষা করা। তবে রাজনৈতিক প্রতিপক্ষকে দমন বা তাদের সার্বক্ষণিক মনিটরিংয়ের কাজে এসব সংস্থাকে ব্যবহার করা হলে দেশের গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানগুলোর ওপর সাধারণ মানুষের আস্থা হ্রাস পায়।
বক্তারা রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলোকে যেকোনো রাজনৈতিক প্রভাব থেকে মুক্ত রেখে স্বাধীনভাবে কাজ করার সুযোগ দেওয়ার জন্য সরকারের প্রতি আহ্বান জানান।