লাগেজ দেরিতে এলে করণীয়: প্রবাসীদের পিআইআর ফরম পূরণের পরামর্শ
হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণের পর লাগেজ পেতে দেরি হলে প্রবাসীদের দ্রুত পিআইআর (PIR) ফরম পূরণ ও ট্র্যাকিং নম্বর সংগ্রহের পরামর্শ দিয়েছেন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নওশাদ খান।
লাগেজ পেতে বিলম্ব হলে দ্রুত পিআইআর ফরম পূরণের আহ্বান
হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণের পর কোনো প্রবাসী বা যাত্রীর ব্যাগেজ কিংবা লাগেজ পৌঁছাতে বিলম্ব হলে বা না পাওয়া গেলে দ্রুত প্রোপার্টি ইররেগুলারিটি রিপোর্ট (পিআইআর) ফরম পূরণ করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। ফরম পূরণের পর অবশ্যই এর একটি কপি ও প্রয়োজনীয় ট্র্যাকিং নম্বর নিজের কাছে সংরক্ষণ করতে হবে।
শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নওশাদ খান যাত্রীদের এ বিষয়ে সচেতন হওয়ার পরামর্শ দিয়ে জানান, ব্যাগেজ সংক্রান্ত যেকোনো জটিলতায় তাৎক্ষণিক প্রশাসনিক পদক্ষেপ গ্রহণ করা অত্যন্ত জরুরি।
পিআইআর (PIR) ফরম পূরণ কেন গুরুত্বপূর্ণ?
বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষের মতে, ভ্রমণকালে কোনো যাত্রীর লাগেজ পেতে সমস্যা হলে সংশ্লিষ্ট এয়ারলাইন্সের কাউন্টারে অভিযোগ দায়ের করার ক্ষেত্রে পিআইআর রিপোর্টই প্রাথমিক দলিল হিসেবে কাজ করে। পিআইআর ফরম পূরণের প্রধান সুবিধাগুলো হলো:
- লাগেজ ট্র্যাকিং: পিআইআর ট্র্যাকিং নম্বরের সাহায্যে কার্গো বা বেল্টে থাকা ব্যাগেজের সঠিক অবস্থান সহজেই শনাক্ত করা সম্ভব হয়।
- ক্ষতিপূরণ দাবি: ব্যাগেজ হারিয়ে গেলে বা ক্ষতিগ্রস্ত হলে এয়ারলাইন্সের কাছে ক্ষতিপূরণ বা দাবি জানানোর জন্য পিআইআর ফরমের কপি আবশ্যক।
- দ্রুত সমাধান: দ্রুততম সময়ে অভিযোগ নথিভুক্ত করলে এয়ারলাইন্স ও বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ তাৎক্ষণিক অনুসন্ধানের কাজ শুরু করতে পারে।
যাত্রীদের প্রতি বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষের নির্দেশনা
শাহজালাল বিমানবন্দরে পৌঁছানোর পর লগেজ বেল্টে নিজের মালামাল না পেলে অযথা আতঙ্কিত না হয়ে প্রবাসীদের লস্ট অ্যান্ড ফাউন্ড ডেস্কে অথবা সংশ্লিষ্ট এয়ারলাইন্সের প্রতিনিধিত্বকারী কাউন্টারে যোগাযোগের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। সেখানে পিআইআর ফরম সংগ্রহ ও তা সঠিকভাবে পূরণ করে প্রাপ্তি স্বীকারপত্রটি নিজের কাছে যত্নসহকারে রেখে দিতে হবে।