Category: Uncategorized

  • ১৮ কর্মকর্তা নিয়োগ দেবে বুয়েট, আবেদন অনলাইনে

    ১৮ কর্মকর্তা নিয়োগ দেবে বুয়েট, আবেদন অনলাইনে


    বাংলাদেশ প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (বুয়েট) বিভিন্ন বিভাগে ১১টি পদে ১৮ জন কর্মকর্তা নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে। এরই মধ্যে আবেদন শুরু হয়েছে, চলবে ২৩ আগস্ট পর্যন্ত। প্রার্থীকে প্রয়োজনীয় কাগজপত্রসহ সাক্ষাৎকারে উপস্থিত থাকতে হবে।

    এক নজরে বাংলাদেশ প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি ২০২৬
    পদের বিবরণ

    আবেদন করার নিয়ম ও গুরুত্বপূর্ণ তথ্য

    • আবেদন শুরু: ২ আগস্ট ২০২৬ তারিখ
    • আবেদনের শেষ তারিখ: ২৩ আগস্ট ২০২৬ তারিখ পর্যন্ত
    • আবেদন পদ্ধতি: অনলাইনে
    • চাকরির ধরন: স্থায়ী
    • প্রার্থীর ধরন: নারী-পুরুষ
    • কর্মস্থল: ঢাকা

    আবেদনের নিয়ম: আগ্রহী প্রার্থীরা আবেদন করতে ও বিস্তারিত বিজ্ঞপ্তিটি দেখতে এখানে ক্লিক করুন বাংলাদেশ প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (বুয়েট)

    আবেদন ফি: পরীক্ষার ফি বাবদ নবম থেকে তদূর্ধ্ব গ্রেডের জন্য ৬০০ টাকা এবং ১০ম গ্রেডের জন্য ৫০০ টাকা অনলাইনের মাধ্যমে জমা দিতে হবে।

    এমআইএইচ

    পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল bdinf লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।

  • বাংলাদেশে ফিরতে চান তসলিমা নাসরিন

    বাংলাদেশে ফিরতে চান তসলিমা নাসরিন


    কলকাতা ছাড়ার আগে গণমাধ্যমের সঙ্গে কথা বলেছেন বিতর্কিত লেখিকা তসলিমা নাসরিন। এ সময় বাংলাদেশে ফেরার ইচ্ছার কথাও জানিয়েছেন তিনি। তবে আপাতত তিনি ভারতেই থাকবেন।

    প্রায় দুই যুগ পর গত ৩১ জুলাই কলকাতায় পা রেখেছিলেন তসলিমা নাসরিন।

    কলকাতা থেকে অনেক স্মৃতি ও ভালোবাসা নিয়ে যাচ্ছেন বলে জানান তসলিমা। একই সঙ্গে ভবিষ্যতে কলকাতা আন্তর্জাতিক বইমেলায় আসার ইচ্ছার কথাও জানিয়েছেন তিনি।

    বুধবার কলকাতার নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসু আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে ভারতের রাজধানী দিল্লির উদ্দেশে রওনা হওয়ার আগে বাংলাদেশে ফেরার বিষয়ে তসলিমা নাসরিন বলেন, অবশ্যই ফিরতে চাই। ৩২ বছর আমি নির্বাসনে আছি। আমাকে বাংলাদেশে ফিরতে দেওয়া হয় না। আমি ফিরতে চাই না বা সেখানে যেতে চাই না, তেমন তো নয়।

    বাংলাদেশে কেন ফিরতে পারছেন না এ বিষয়ে তসলিমা বলেন, বাংলাদেশ সরকার তার পাসপোর্ট নবায়ন করছে না। পাশাপাশি তার সুইডিশ পাসপোর্টেও বাংলাদেশ ভিসা দিচ্ছে না।

    তিনি বলেন, না দিলে তো আমার কোনো বৈধ ডকুমেন্ট নেই যাওয়ার জন্য।

    তসলিমা জানান, আপাতত তিনি ভারতেই থাকবেন।

    কলকাতা থেকে কী ধরনের স্মৃতি নিয়ে যাচ্ছেন—এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, কলকাতা থেকে খুব ভালো স্মৃতি নিয়ে যাচ্ছেন। বিশেষ করে সাধারণ মানুষের ভালোবাসায় তিনি আবেগাপ্লুত হয়েছেন।

    তসলিমা বলেন, মানুষের ভালোবাসা, বিশেষ করে সাধারণ মানুষের ভালোবাসা পেয়েছি, যে আমার চোখে জল চলে এসেছে।

    কলকাতায় আবার কবে আসতে চান—এমন প্রশ্নের জবাবে তসলিমা বলেন, অক্টোবর অথবা জানুয়ারিতে আবার আসবেন।

    প্রায় দুই যুগ পর কলকাতায়

    প্রায় ২০ বছর পর গত ৩১ জুলাই কলকাতায় আসেন তসলিমা নাসরিন। কলকাতায় পৌঁছানোর পর ১ আগস্ট রবীন্দ্রসদনে একটি অনুষ্ঠানে অংশ নেন তিনি। সেখানে তাকে রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে সংবর্ধনা দেওয়া হয়।

    সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীও উপস্থিত ছিলেন।

    ডিডি/এমএসএম

     

    পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল bdinf লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।

  • শ্রীলঙ্কায় বন্যা-ভূমিধসে নিহত ৭, বন্ধ স্কুল

    শ্রীলঙ্কায় বন্যা-ভূমিধসে নিহত ৭, বন্ধ স্কুল


    প্রবল বৃষ্টিতে সৃষ্ট আকস্মিক বন্যা ও ভূমিধসে শ্রীলঙ্কায় অন্তত সাতজনের মৃত্যু হয়েছে। আহত হয়েছেন আরও কয়েকজন। দুর্যোগের কারণে দেশের মধ্যাঞ্চলের পার্বত্য এলাকায় সব স্কুল সাময়িকভাবে বন্ধ ঘোষণা করেছে কর্তৃপক্ষ।

    এই দুর্যোগে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে চা উৎপাদনের জন্য পরিচিত পার্বত্য অঞ্চলগুলো।

    সরকারের দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কেন্দ্রের মুখপাত্র প্রদীপ কোদিপ্পিলি জানান, মধ্যাঞ্চলের দুটি বাড়ির ওপর ভূমিধস নেমে এলে পাঁচজনের মৃত্যু হয়। এ ছাড়া আকস্মিক বন্যায় আরও দুজন প্রাণ হারান।

    তিনি বলেন, দুর্যোগে অন্তত ১২৯টি বাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। নিরাপত্তার স্বার্থে প্রায় সাড়ে তিন হাজার মানুষকে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে।

    বন্যার পানিতে আটকে পড়া মানুষদের উদ্ধারে কাজ করছেন সেনাবাহিনী ও নৌবাহিনীর সদস্যরা।

    ঝুঁকিতে পার্বত্য জেলা

    নুয়ারা এলিয়া ও বাদুল্লাসহ শ্রীলঙ্কার মধ্যাঞ্চলের বেশ কয়েকটি জেলা খাড়া পাহাড়ি ভূপ্রকৃতির কারণে বর্ষা মৌসুমে ভূমিধসপ্রবণ হিসেবে পরিচিত। টানা বৃষ্টিতে পাহাড়ি মাটি নরম হয়ে গেলে এসব এলাকায় বড় ধরনের ভূমিধসের ঝুঁকি বেড়ে যায়।

    গত বছরের নভেম্বরে ঘূর্ণিঝড় দিতওয়াহর আঘাতে শ্রীলঙ্কায় ব্যাপক প্রাণহানি ও ব্যাপক আর্থিক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছিল। সে সময় প্রায় ৬৪০ জন নিহত হন এবং ক্ষতির পরিমাণ দাঁড়ায় প্রায় ৪১০ কোটি মার্কিন ডলার।

    সেই আঘাতের ক্ষত না মুছতেই নতুন এই প্রাকৃতিক দুর্যোগে দেশটি আবারও বড় চ্যালেঞ্জের মুখে পড়েছে।

    ২০২৫ সালের শেষ দিকেও একই অঞ্চলে ভূমিধস ও বন্যায় বহু মানুষের প্রাণহানি হয়েছিল। সেসময়ও দেশজুড়ে স্কুল ও সরকারি অফিস সাময়িকভাবে বন্ধ রাখতে হয়।

    ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাগুলোর স্কুল কবে ফের চালু হবে, সে বিষয়ে এখনো কোনো নির্দিষ্ট সময় জানায়নি কর্তৃপক্ষ। আবহাওয়ার পরিস্থিতির উন্নতির ওপর পরবর্তী সিদ্ধান্ত নির্ভর করবে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।

    সূত্র: আল-জাজিরা
    কেএএ/

    পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল bdinf লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।

  • মুক্তিযোদ্ধার নাতি হয়েও কোটার বিরুদ্ধে, জুলাইয়ের সমন্বয়ক ফয়সালের গল্প

    মুক্তিযোদ্ধার নাতি হয়েও কোটার বিরুদ্ধে, জুলাইয়ের সমন্বয়ক ফয়সালের গল্প


    শহীদ মুক্তিযোদ্ধার নাতি হওয়ায় সরকারি চাকরিতে কোটার সুবিধা পাওয়ার সুযোগ ছিল তার। কিন্তু ব্যক্তিগত সেই সুবিধা গ্রহণকে নৈতিকভাবে গ্রহণযোগ্য মনে করেননি। তার বিশ্বাস ছিল, দীর্ঘদিন ধরে মুক্তিযোদ্ধা কোটা সাধারণ শিক্ষার্থীদের প্রতি বৈষম্য সৃষ্টি করেছে এবং রাষ্ট্রের জন্যও এটি টেকসই নয়।

    সেই বিশ্বাস থেকেই তিনি ব্যক্তিগত সুবিধার বিপরীতে অবস্থান নিয়ে কোটা সংস্কার আন্দোলনে যুক্ত হন, যা পরে জুলাই-আগস্টের গণঅভ্যুত্থানের অংশে পরিণত হয়।

    এমন অভিজ্ঞতা ও আন্দোলনের নানান স্মৃতি তুলে ধরেন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ম্যানেজমেন্ট স্টাডিজ বিভাগের ২০১৯-২০ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী ও বর্তমানে জাতীয় ছাত্রশক্তির জবি শাখার আহ্বায়ক মো. ফয়সাল মুরাদ। সে সময় বিশ্ববিদ্যালয়ের বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের অন্যতম সমন্বয়ক ছিলেন তিনি।

    তার ভাষ্য অনুযায়ী, কোটা সংস্কারের দাবির পাশাপাশি রাষ্ট্র সংস্কারের প্রত্যাশা, সহযোদ্ধাদের আত্মত্যাগ, পুলিশের দমন-পীড়ন, আত্মগোপনের দিনগুলো এবং ব্যক্তিগত নানান ত্যাগের অভিজ্ঞতা আন্দোলনে তার সম্পৃক্ততাকে আরও দৃঢ় করেছে।

    নিজের কোটার সুবিধা প্রত্যাখ্যানের নৈতিক অবস্থান

    ফয়সাল মুরাদ জানান, তার দাদা ১৯৭১ সালের একজন শহীদ মুক্তিযোদ্ধা। সে হিসেবে তিনি নিজেই মুক্তিযোদ্ধা কোটার অন্যতম সুবিধাভোগী হওয়ার সুযোগ পেয়েছিলেন। কিন্তু তিনি মনে করতেন, লক্ষাধিক চাকরিপ্রার্থীর দেশে ৩০ শতাংশ মুক্তিযোদ্ধা কোটা সাধারণ শিক্ষার্থীদের প্রতি বৈষম্য সৃষ্টি করে এবং রাষ্ট্রের জন্যও এটি টেকসই নয়।

    ফয়সাল মুরাদের পুরো বক্তব্যের কেন্দ্রবিন্দুতে ছিল– ব্যক্তিগতভাবে মুক্তিযোদ্ধা কোটার সুবিধাভোগী হওয়ার সুযোগ থাকা সত্ত্বেও তিনি সেই সুবিধার পক্ষে দাঁড়াননি। তার বিশ্বাস ছিল, রাষ্ট্রের ন্যায়বিচার, মেধার মূল্যায়ন এবং বৈষম্যহীন সমাজ প্রতিষ্ঠার জন্য প্রয়োজন একটি সমান সুযোগভিত্তিক ব্যবস্থা।

    তার মতে, শহীদ পরিবারের প্রতি অবশ্যই রাষ্ট্রের দায়িত্ব রয়েছে। তবে সেই দায়িত্ব পালনের উপায় হওয়া উচিত শিক্ষাব্যবস্থায় বিশেষ সুযোগ, আর্থিক সহায়তা ও সামাজিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করা; চাকরিতে দীর্ঘদিন ধরে বিশাল আকারের কোটা বহাল রাখা নয়।

    তার ভাষ্য, চাকরিতে কোটা থাকলেও তা ২.৫ থেকে সর্বোচ্চ ৫ শতাংশের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকা উচিত। ব্যক্তিগত সুবিধার চেয়ে তিনি মেধাভিত্তিক প্রতিযোগিতাকেই বেশি গুরুত্বপূর্ণ মনে করেছেন।

    কোটা আন্দোলন থেকে রাষ্ট্র সংস্কারের স্বপ্ন

    ফয়সালের ভাষ্য অনুযায়ী, কোটা ইস্যুটি তার কাছে কেবল একটি চাকরির প্রশ্ন ছিল না। তিনি শুরু থেকেই আওয়ামী লীগবিরোধী রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন।

    তার দাবি, বিচার বিভাগ, পুলিশ প্রশাসনসহ রাষ্ট্রের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান রাজনৈতিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল। ফলে তিনি কোটা আন্দোলনকে রাষ্ট্র সংস্কার ও স্বৈরাচারবিরোধী বৃহত্তর আন্দোলনের একটি সুযোগ হিসেবে দেখেছিলেন।

    তার ভাষায়, আন্দোলনের শুরু থেকেই তিনি বুঝতে পেরেছিলেন এটি কেবল কোটা সংস্কারের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকবে না; রাষ্ট্রব্যবস্থা পরিবর্তনের দাবিও একসময় সামনে আসবে।

    লাইব্রেরি থেকে জিরো পয়েন্ট–জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে আন্দোলনের সূচনা

    ২০১৮ সালের পরিপত্র বাতিলের প্রতিবাদে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে আন্দোলনের সূচনা হয়। তিনি জানান, প্রথমদিকে কয়েকজন অগ্রজ শিক্ষার্থী নিজেদের অর্থ সংগ্রহ করে মাইক ভাড়া করেন এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটক, তাঁতিবাজার ও জিরোপয়েন্ট এলাকায় আন্দোলন সংগঠিত করেন।

    জিরোপয়েন্টের কর্মসূচিতে আন্দোলনের কৌশল হিসেবে বিভিন্ন ধরনের স্লোগান দেওয়া হলেও নিজের রাজনৈতিক পরিচয়ের কারণে শুরুতে তিনি কিছুটা সংযত ছিলেন। তবে আন্দোলনের বিস্তার ঘটার সঙ্গে সঙ্গে সক্রিয়ভাবে সম্পৃক্ত হন।

    ‘রাজাকার’ মন্তব্যের পর বদলে যায় পরিস্থিতি

    ১১ জুলাই তিনি গ্রামের বাড়ি ঠাকুরগাঁওয়ে অবস্থান করছিলেন। সেখানে স্থানীয় শিক্ষার্থীদের সঙ্গে আন্দোলনে অংশ নেন। ১৪ জুলাই আন্দোলনকারীদের ‘রাজাকার’ বলে অভিহিত করার পর পরিস্থিতি দ্রুত উত্তপ্ত হয়ে ওঠে।

    পরদিন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ও আশপাশে ছাত্রলীগের হামলায় জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়সহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের বহু শিক্ষার্থী আহত হন। তার ভাষ্য অনুযায়ী, ওই ঘটনার পর আন্দোলনকারীদের মধ্যে প্রবল ক্ষোভ সৃষ্টি হয় এবং আন্দোলনের চরিত্র বদলে যেতে শুরু করে।

    ফেরদৌসের গুলিবিদ্ধ হওয়া বদলে দেয় সব সিদ্ধান্ত

    ২০২৪ সালের ১৬ জুলাই জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের মিছিলে তার ঘনিষ্ঠ সহযোদ্ধা ফেরদৌস গুলিবিদ্ধ হন। তিনি বলেন, ফেরদৌস ছিলেন তার ছোট ভাইয়ের মতো এবং রাজনৈতিক সহযোদ্ধা।

    ফয়সালের দাবি, গুলিবিদ্ধ হওয়ার আগে ফেরদৌস বলেছিলেন, ‘আমার সঙ্গে কারও থাকা লাগবে না। আমি যদি মরেও যাই, তোরা কেউ মাঠ ছেড়ে দিস না।’

    এ ঘটনা তাকে গভীরভাবে নাড়া দেয়। তিনি মনে করেন, আর ঘরে বসে থাকার সুযোগ নেই। যে কোনো মূল্যে ঢাকায় ফিরে আন্দোলনে যোগ দিতেই হবে।

    বাবার সেই কথায় চোখে পানি, তবু ঢাকার পথে রওয়ানা

    ১৭ জুলাই ভোরে ঠাকুরগাঁও থেকে ঢাকার উদ্দেশে বের হওয়ার সময় ঘটে তার জীবনের অন্যতম আবেগঘন মুহূর্ত। তার দাদা ১৯৭১ সালে শহীদ হওয়ার সময় তার বাবার বয়স ছিল মাত্র দুই বছর। বাবার শৈশব কেটেছে পিতৃহীন অবস্থায়, আর্থিক কষ্টে এবং নানান সংগ্রামে।

    ফয়সাল জানান, বাসা থেকে বের হওয়ার সময় তার বাবা তাকে থামিয়ে বলেছিলেন, ‘আমার বাবার জেদের কারণে আমি এতিম হয়েছি। আমি শেষ বয়সে চাই না আমি আবার এতিম হই।’

    বাবার চোখের দিকে তাকাতে পারেননি তিনি। কোনো টাকা ছাড়াই শূন্য হাতে বাবার নিষেধ উপেক্ষা করে ঢাকার উদ্দেশে রওয়ানা হন তিনি।

    ইন্টারনেট বন্ধ, পুলিশি ঘেরাও, তারপর আত্মগোপন

    ১৮ জুলাই ঢাকায় পৌঁছে তিনি দেখেন পুরো ক্যাম্পাস পুলিশ ঘিরে রেখেছে। ইন্টারনেট বন্ধ থাকায় ফোনে যোগাযোগ করে কয়েকজন শিক্ষার্থী বাংলাবাজার এলাকায় জড়ো হলেও সেখানে পুলিশ তাদের ঘিরে ফেলে।

    জুলাই আন্দোলনের শুরুতে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে ঢাকার গুলিস্তানের জিরোপয়েন্টে সমন্বয়ক ফয়সাল মুরাদ

    ১৯ জুলাই জুমার নামাজের আগে কবি নজরুল সরকারি কলেজের সামনে থেকে মিছিল বের করা হয়। পুলিশের সঙ্গে ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া, গ্রেফতার এবং পরে সরাসরি গুলির ঘটনার কথাও তুলে ধরেন তিনি। তার দাবি, ওইদিন কয়েকজন ঘটনাস্থলেই নিহত হন এবং অনেকেই আহত হন।

    এরপর শুরু হয় ব্লক রেইড। তিনি জানান, তার নাম গোয়েন্দা সংস্থার কাছে চলে যাওয়ায় দীর্ঘ সময় আত্মগোপনে থাকতে হয়েছিল।

    ফ্যান-লাইট বন্ধ করে দিনের পর দিন অন্ধকার ঘরে

    ফয়সালের ভাষ্য অনুযায়ী, আত্মগোপনের সময় তিনি ঘরের ফ্যান ও লাইট বন্ধ রেখে অন্ধকারে মেঝেতে শুয়ে থাকতেন, যাতে বাইরে থেকে মনে হয় বাসাটি খালি।

    তিনি বাড়িওয়ালার সামনেও বের হতেন না। কেবল বিশ্বস্ত সহযোদ্ধারা এলে তাদের সঙ্গে বের হতেন। অনেক সময় এক বেলা খাবার খেয়েই দিন পার করতে হয়েছে বলেও জানান তিনি।

    তার দাবি, সে সময় অনেক পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ঢাকা ছাড়লেও বিভিন্ন বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা আন্দোলন ধরে রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছিলেন। 

    সমন্বয়কদের ওপর নির্যাতন আন্দোলনকে আরও বেগবান করে

    নাহিদ ইসলামসহ সমন্বয়কদের গুম ও নির্যাতনের খবর ছড়িয়ে পড়ার পর আন্দোলন নতুন গতি পায় বলে মনে করেন ফয়সাল।

    ২৯ জুলাই জিরোপয়েন্ট থেকে বাহাদুর শাহ পার্ক পর্যন্ত প্রতিবাদী গানের মিছিলে অংশ নেন তারা। পরে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য পৃথক সমন্বয়ক কমিটি গঠন করা হয়।

    ২ আগস্ট দ্রোহযাত্রা এবং ৩ আগস্ট শহীদ মিনারে এক দফা ঘোষণার কর্মসূচিতেও জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের ব্যাপক উপস্থিতির কথা জানান তিনি।

    ৪ ও ৫ আগস্ট: সংঘর্ষ, ব্যারিকেড আর আনহাবের আত্মত্যাগ

    ৪ আগস্ট সম্ভাব্য হামলার আশঙ্কায় আত্মরক্ষার জন্য লাঠি ও পাইপ সংগ্রহ করেন তারা। অর্থকষ্ট থাকলেও আত্মীয়ের সহায়তায় এসব ব্যবস্থা করা হয়েছিল বলে জানান তিনি।

    ৫ আগস্ট ‘মার্চ টু ঢাকা’ কর্মসূচিতে তারা পুরান ঢাকার রায়সাহেব বাজারের ব্যারিকেড এড়িয়ে গলি পথে তাঁতিবাজার হয়ে শহীদ মিনারের দিকে এগিয়ে যান।

    চানখাঁরপুল এলাকায় শাহরিয়ার খান আনাস নামে এক তরুণ মাথায় গুলিবিদ্ধ হন। ফয়সালের ভাষ্য অনুযায়ী, আনাস জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ছিলেন না। তবে তিনি জগন্নাথের শিক্ষার্থীদের সঙ্গেই আন্দোলনে অংশ নিয়েছিলেন। গুলিবিদ্ধ হওয়ার পর জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী সৌরভ তার মরদেহ টেনে মিডফোর্ড হাসপাতালে নিয়ে যান।

    ফয়সাল বলেন, আনাস তাদের বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী না হলেও আত্মত্যাগের কারণে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্দোলনের ইতিহাসে তিনি তাদেরই একজন শহীদ হিসেবে স্মরণীয় হয়ে আছেন।

    তৎকালীন উপাচার্যের ভূমিকা নিয়েও মন্তব্য

    ফয়সাল দাবি করেন, ‘তৎকালীন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক সাদিকা হালিম ১৭ জুলাই পুলিশকে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসের ভেতরে প্রবেশ করে শিক্ষার্থীদের ওপর গুলি চালাতে দেননি।’

    বিপ্লবের পর বদলে যায় রাজনৈতিক অবস্থান

    জুলাই আন্দোলনের পর তিনি ছাত্রদল ছেড়ে জাতীয় নাগরিক কমিটি এবং পরে জাতীয় ছাত্রশক্তির সঙ্গে যুক্ত হন।

    তার দাবি, ৫ আগস্টের পর ছাত্রদলের একটি অংশ রাষ্ট্র সংস্কারের পরিবর্তে ছাত্রলীগের সাংগঠনিক ও আর্থিক কাঠামো দখলের রাজনীতিতে বেশি মনোযোগী হয়ে পড়ে। সে কারণেই তিনি আগের রাজনৈতিক সংগঠন থেকে সরে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত নেন।

    ‘ব্যক্তিগত সুবিধার চেয়ে দেশের স্বার্থ বড় ছিল’

    ফয়সাল মুরাদের পুরো বক্তব্যের কেন্দ্রবিন্দুতে ছিল– ব্যক্তিগতভাবে মুক্তিযোদ্ধা কোটার সুবিধাভোগী হওয়ার সুযোগ থাকা সত্ত্বেও তিনি সেই সুবিধার পক্ষে দাঁড়াননি। তার বিশ্বাস ছিল, রাষ্ট্রের ন্যায়বিচার, মেধার মূল্যায়ন এবং বৈষম্যহীন সমাজ প্রতিষ্ঠার জন্য প্রয়োজন একটি সমান সুযোগভিত্তিক ব্যবস্থা।

    এই বিশ্বাস থেকেই, পরিবারের আপত্তি, জীবনের ঝুঁকি, সহযোদ্ধার মৃত্যু, আত্মগোপন এবং অনিশ্চয়তার মধ্য দিয়েও তিনি আন্দোলনের মাঠে ছিলেন বলে তার দাবি।

    এমডিএএ/এমআইএইচএস/ এমএফএ

  • ‘জুলাই অভ্যুত্থান ১৭ বছরের আন্দোলন-সংগ্রামের ধারাবাহিক ফল’

    ‘জুলাই অভ্যুত্থান ১৭ বছরের আন্দোলন-সংগ্রামের ধারাবাহিক ফল’


    জুলাই অভ্যুত্থান দিবস উপলক্ষে চট্টগ্রামে বর্ণাঢ্য র‍্যালি ও সমাবেশ করেছে বিএনপি। মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) বিকেলে নগরের জামিয়াতুল ফালাহ মাঠে অনুষ্ঠিত সমাবেশ শেষে একটি র‍্যালি নগরের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে জিইসি মোড়ে গিয়ে শেষ হয়।

    চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির আহ্বায়ক এরশাদ উল্লাহর সভাপতিত্বে এবং সদস্যসচিব নাজিমুর রহমানের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত সমাবেশে প্রধান অতিথি ছিলেন বিএনপির চট্টগ্রাম বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক মাহবুবের রহমান শামীম। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন চট্টগ্রাম-৯ আসনের সংসদ সদস্য মোহাম্মদ আবু সুফিয়ান, চট্টগ্রাম-১০ আসনের সংসদ সদস্য সাঈদ আল নোমান এবং কেন্দ্রীয় বিএনপির সদস্য শামসুল আলম।

    সমাবেশে মাহবুবের রহমান শামীম বলেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থান কোনো আকস্মিক ঘটনা নয়; এটি বিএনপির দীর্ঘ ১৭ বছরের গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের আন্দোলন, জনগণের অধিকার আদায়ের সংগ্রাম এবং স্বৈরাচারবিরোধী রাজনৈতিক লড়াইয়ের ধারাবাহিক ফল।

    তিনি দাবি করেন, ২০২৪ সালের ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থান দীর্ঘদিনের দমন-পীড়ন ও মানুষের পুঞ্জীভূত ক্ষোভের বহিঃপ্রকাশ।

    এমআরএএইচ/এমআইএইচএস

    পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল bdinf লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।

  • ভোর থেকে ঢাকার কিছু সড়কে যান চলাচল নিয়ন্ত্রণ, বিকল্প পথে চলার আহ্বান

    ভোর থেকে ঢাকার কিছু সড়কে যান চলাচল নিয়ন্ত্রণ, বিকল্প পথে চলার আহ্বান


    জুলাই গণ-অভ্যুত্থান দিবস পালন কেন্দ্র করে ঢাকার বিভিন্ন সড়কে যানবাহন চলাচল নিয়ন্ত্রণের কথা জানিয়েছে ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি)। ফলে সড়ক ডাইভারশনের মাধ্যমে বিকল্প সড়ক ব্যবহারের আহ্বানও জানানো হয়।

    মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) রাতে ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) কমিশনার মোসলেহ্ উদ্দিন আহমদের সই করা এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

    বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, শাহবাগে স্থাপিত ৩৬ জুলাই স্মৃতিস্তম্ভে পুষ্পস্তবক অর্পণ ও শহীদদের স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন এবং সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয় আয়োজিত উন্মুক্ত কনসার্ট এবং রাজধানীর মানিক মিয়া অ্যাভিনিউতে (জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজা সংলগ্ন সড়ক) একটি সাংস্কৃতিক কনসার্টের আয়োজন উপলক্ষে সোহরাওয়ার্দী উদ্যান ও শাহবাগ এলাকা এবং খেজুর বাগান ক্রসিং থেকে মানিক মিয়া অ্যাভিনিউ পর্যন্ত এলাকায় যান চলাচল সীমিত থাকবে।

    রাস্তার তীব্র যানজট নিরসনকল্পে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের ট্রাফিক বিভাগ থেকে ৫ আগস্ট ভোর ৫টা থেকে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত ইউটার্ন ও ডাইভারশনের মাধ্যমে যানবাহনের প্রবাহ নিয়ন্ত্রণ করা হবে।

    নগরবাসী ও যানবাহন চালকদের নির্দেশনাসমূহ মেনে চলার অনুরোধ করে

    বিকল্প সড়ক ব্যবহারের অনুরোধ জানিয়ে বলা হয়

    • ফার্মগেট থেকে শাহবাগ অভিমুখী যানবাহন হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টাল ক্রসিং থেকে বামে মোড় নিয়ে হেয়ার রোড/মিন্টো রোড ব্যবহার করবেন।
    • গোলাপশাহ মাজার ক্রসিং হাইকোর্ট ক্রসিং মৎস্য ভবন ক্রসিং থেকে শাহবাগ অভিমুখী যাত্রীবাহী যানবাহন কাকরাইল মসজিদ ক্রসিং হয়ে গন্তব্যে পৌঁছাবে।
    • সায়েন্সল্যাব ক্রসিং হতে শাহবাগ অভিমুখী যানবাহন মিরপুর রোড নিউ মার্কেট ক্রসিং আজিমপুর ক্রসিং চাঁনখারপুল ক্রসিং-বকশীবাজার ক্রসিং হয়ে গন্তব্যে পৌঁছাবে অথবা সায়েন্সল্যাব ক্রসিং হয়ে শাহবাগ অভিমুখী যানবাহন বাটা ক্রসিং-কাটাবন ক্রসিং ডানে/বামে মোড় নিয়ে হাতিরপুল/নীলক্ষেত পলাশী ক্রসিং হয়ে গন্তব্যে পৌঁছাবে।
    • (মিরপুর রোড টু ফার্মগেট ভায়া মানিক মিয়া অ্যাভিনিউ) মিরপুর রোড হয়ে উত্তর দিক থেকে আগত ফার্মগেট/সোনারগাঁও অভিমুখী যানবাহন গণভবন ক্রসিং-বামে মোড় নিয়ে লেকরোড-উড়োজাহাজ ক্রসিং-বিজয় সরণি ক্রসিংয়ে ডানে মোড় নিয়ে ফার্মগেট এর দিকে গমন করবে।
    • (ফার্মগেট টু মানিক মিয়া অ্যাভিনিউ ভায়া ইন্দিরা রোড) ফার্মগেট হতে খেজুর বাগান ক্রসিং-ডানে মোড় নিয়ে উড়োজাহাজ ক্রসিং-বামে মোড় নিয়ে লেক রোড-গণভবন ক্রসিং এর দিকে গমন করবে।
    • (ধানমন্ডি হতে ফার্মগেট) ধানমন্ডি ২৭ হতে আগত যানবাহন আসাদগেট-গণভবন ক্রসিং ডানে ইউটার্ন করে লেকরোড-উড়োজাহাজ ক্রসিং-বিজয় সরণি ক্রসিং-ডানে মোড় নিয়ে ফার্মগেট ক্রসিং এর দিকে গমনাগমন করবে।
    • (আসাদগেট হতে ফার্মগেট ক্রসিং) আসাদগেট-বামে মোড় নিয়ে গণভবন ক্রসিং-ডানে মোড় নিয়ে লেক রোড-উড়োজাহাজ ক্রসিং-বিজয় সরণি ক্রসিং-ডানে মোড় নিয়ে ফার্মগেট ক্রসিং এর দিকে গমন করবে।
    • (এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে/ ইন্দিরা রোড হতে ধানমন্ডি) এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে/ইন্দিরা রোড হতে আগত যানবাহন খেজুর বাগান ক্রসিং-ডানে মোড় নিয়ে উড়োজাহাজ ক্রসিং-বামে মোড় নিয়ে লেক রোড-বামে মোড় নিয়ে আসাদগেট-সোজা পথে ধানমন্ডির দিকে গমন করবে।
    • (মিরপুর রোড হতে ধানমন্ডি ২৭) মানিক মিয়া অ্যাভিনিউ হতে ব্লকেড সরিয়ে ফেলা হবে বিধায় মিরপুর রোড হতে দক্ষিণ অভিমুখী যানবাহন শ্যামলী-শিশুমেলা-গণভবন-আসাদগেট হতে সোজা ধানমন্ডি ২৭ এর দিকে গমনাগমন করবে।
    • (এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে) অনুষ্ঠান চলাকালীন যানজট/দুর্ভোগ এড়াতে ফার্মগেট এক্সিট র‍্যাম্প ব্যবহারের পরিবর্তে এফডিসি (হাতিরঝিল) র‍্যাম্প ব্যবহারের জন্য অনুরোধ করা হলো।

    কেআর/এমআইএইচএস

    পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল bdinf লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।

  • জুলাই অভ্যুত্থানে ছাত্রদলের ভূমিকা তুলে ধরতে প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শনী

    জুলাই অভ্যুত্থানে ছাত্রদলের ভূমিকা তুলে ধরতে প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শনী


    জুলাই অভ্যুত্থানে ছাত্রদলের আত্মত্যাগ, সংগ্রাম ও বিজয়ে সংগঠনটির ভূমিকা তুলে ধরতে ‘জুলাই অভ্যুত্থানের আত্মত্যাগ, সংগ্রাম ও বিজয়ে জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের অবদান’ শীর্ষক প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শনী ও সাংস্কৃতিক সন্ধ্যা হয়েছে।

    মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) রাত ৮টায় কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে ছাত্রদলের উদ্যোগে এ অনুষ্ঠান হয়। সঞ্চালনা করেন ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক নাসির উদ্দীন নাসির।

    অনুষ্ঠানের শুরুতে জাতীয় সংগীত পরিবেশন করা হয়। পরে দলীয় সংগীত পরিবেশিত হয়।

    অনুষ্ঠানে বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী, ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি ফজলুল হক মিলন, শামসুজ্জামান দুদু, আব্দুল কাদের ভূঁইয়া জুয়েল, হাবিবুর রশিদ হাবিবসহ ছাত্রদলের সাবেক ও বর্তমান কেন্দ্রীয় নেতারা উপস্থিত ছিলেন। এছাড়া ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের শীর্ষ নেতারাসহ বিপুলসংখ্যক নেতাকর্মী অংশ নেন।

    অনুষ্ঠানে জুলাই অভ্যুত্থান এবং গত ১৭ বছরের ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলনে ছাত্রদলের ভূমিকা, আত্মত্যাগ ও সংগ্রাম নিয়ে নির্মিত একটি প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শন করা হয়। একই সঙ্গে আন্দোলনে নিহত ছাত্রদলের ১৪২ জন নেতাকর্মীর প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয় এবং দীর্ঘ আন্দোলন-সংগ্রামে নিহত ও নির্যাতিত নেতাকর্মীদের স্মরণ করা হয়। অনুষ্ঠানে নিখোঁজ বিএনপি নেতা ইলিয়াস আলীকে ফিরিয়ে দেওয়ার দাবিও জানানো হয়।

    অনুষ্ঠানে শুভেচ্ছা বক্তব্য দিয়ে শুরু করেন জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সভাপতি রাকিবুল ইসলাম রাকিব।

    প্রধান অতিথির বক্তব্যে বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী বলেন, ২০২৪ সালের জুলাই গণ-অভ্যুত্থান দেশের ইতিহাসে একটি যুগান্তকারী ঘটনা।

    তিনি দাবি করেন, এই আন্দোলনে ছাত্রদলের ১৪২ জন নেতাকর্মী প্রাণ দিয়েছেন এবং বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান আন্দোলনের শুরু থেকেই নেতাকর্মীদের বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের পাশে থাকার নির্দেশনা দিয়েছিলেন।

    তিনি আরও বলেন, জুলাই আন্দোলনে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশ নিয়েছিলেন এবং তাদের আত্মত্যাগ বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক আন্দোলনের ইতিহাসে স্মরণীয় হয়ে থাকবে। একই সঙ্গে তিনি আন্দোলনের ইতিহাস বিকৃত না করার আহ্বান জানান।

    প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শনের মাধ্যমে জুলাই গণ-অভ্যুত্থান ও ছাত্রদলের আন্দোলন-সংগ্রামের বিভিন্ন দিক তুলে ধরা হয়।

    এমআইএইচএস/

    পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল bdinf লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।

  • পোশাক শ্রমিকদের জন্য মজুরি বোর্ড গঠনের দাবি

    পোশাক শ্রমিকদের জন্য মজুরি বোর্ড গঠনের দাবি


    ক্রমবর্ধমান মূল্যস্ফীতি ও জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধির কারণে তৈরি পোশাক (আরএমজি) খাতের শ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি পুনর্বিন্যাসের লক্ষ্যে অবিলম্বে মজুরি বোর্ড গঠনের দাবি জানিয়েছে ইন্ডাস্ট্রিঅল বাংলাদেশ কাউন্সিল (আইবিসি)।

    মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) ইন্ডাস্ট্রিঅল বাংলাদেশ কাউন্সিলের (আইবিসি) সভাপতি কুতুব উদ্দিন আহমেদ এবং সাধারণ সম্পাদক বাবুল আখতারের সই করা এক চিঠিতে শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরীর কাছে এ দাবি জানানো হয়।

    চিঠিতে বলা হয়, সাম্প্রতিক বছরগুলোতে খাদ্যপণ্য, বাসাভাড়া, চিকিৎসা, শিক্ষা, পরিবহন এবং অন্যান্য নিত্যপ্রয়োজনীয় ব্যয়ের ধারাবাহিক ঊর্ধ্বগতির ফলে গার্মেন্টস শ্রমিকদের প্রকৃত আয় ও ক্রয়ক্ষমতা উল্লেখযোগ্যভাবে কমে গেছে। বিদ্যমান ন্যূনতম মজুরি দিয়ে একটি শ্রমিক পরিবারের মৌলিক চাহিদা পূরণ করা ক্রমেই কঠিন হয়ে উঠছে। এ বাস্তবতায় শ্রমিকদের জন্য সময়োপযোগী ও ন্যায্য মজুরি নিশ্চিত করা এখন অত্যন্ত জরুরি।

    চিঠিতে উল্লেখ করা হয়, বাংলাদেশ শ্রম (সংশোধন) আইন, ২০২৩ অনুযায়ী শ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি প্রতি তিন বছর অন্তর পুনর্বিন্যাসের বিধান রয়েছে। এই আইন প্রণয়নের উদ্দেশ্য ছিল মূল্যস্ফীতি, জীবনযাত্রার ব্যয়, উৎপাদনশীলতা এবং দেশের সামগ্রিক অর্থনৈতিক বাস্তবতার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে নিয়মিত মজুরি পর্যালোচনা নিশ্চিত করা। সে অনুযায়ী পরবর্তী মজুরি পুনর্বিন্যাসের কার্যক্রম যথাসময়ে সম্পন্ন করতে এখনই মজুরি বোর্ড পুনর্গঠন করা প্রয়োজন বলে আইবিসি মনে করে।

    সংগঠনটি আরও জানায়, দেশের তৈরি পোশাক শিল্প দেশের রপ্তানি আয়ের প্রধান উৎস এবং অর্থনীতির অন্যতম ভিত্তি। এই শিল্পের টেকসই প্রবৃদ্ধি, উৎপাদনশীলতা, শিল্পে স্থিতিশীলতা এবং আন্তর্জাতিক বাজারে প্রতিযোগিতা ধরে রাখতে শ্রমিকদের জন্য একটি জীবনযাত্রার ব্যয়ের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ ন্যায্য মজুরি নিশ্চিত করা অপরিহার্য। শ্রমিকদের ন্যায্য মজুরি নিশ্চিত হলে কর্মপরিবেশে স্থিতিশীলতা বৃদ্ধি পাবে, দক্ষ জনশক্তি ধরে রাখা সহজ হবে এবং শিল্পের দীর্ঘমেয়াদি প্রতিযোগিতামূলক সক্ষমতাও শক্তিশালী হবে।

    চিঠিতে আরও উল্লেখ করা হয়, ইন্ডাস্ট্রিঅল বাংলাদেশ কাউন্সিল (আইবিসি) আন্তর্জাতিক শ্রমিক সংগঠন ইন্ডাস্ট্রিঅল গ্লোবাল ইউনিয়নের সঙ্গে সম্পৃক্ত বাংলাদেশের ১৯টি জাতীয় ফেডারেশনের সমন্বয়ে গঠিত। এর মধ্যে ১৬টি ফেডারেশন সরাসরি গার্মেন্টস খাতের শ্রমিকদের প্রতিনিধিত্ব করে এবং দেশের তৈরি পোশাক শিল্পে কর্মরত বিপুলসংখ্যক শ্রমিকের অধিকার, ন্যায্য মজুরি, নিরাপদ কর্মপরিবেশ ও ট্রেড ইউনিয়ন অধিকার প্রতিষ্ঠায় কাজ করে যাচ্ছে।

    আইবিসি সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেছে, বর্তমান অর্থনৈতিক বাস্তবতা, ক্রমবর্ধমান জীবনযাত্রার ব্যয় এবং বিদ্যমান শ্রম আইনের বিধান বিবেচনায় নিয়ে গার্মেন্টস শিল্পের শ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি পুনর্বিন্যাসের লক্ষ্যে অবিলম্বে মজুরি বোর্ড পুনর্গঠন এবং প্রয়োজনীয় কার্যক্রম শুরু করা উচিত।

    সংগঠনটির মতে, এটি শুধু শ্রমিকদের ন্যায্য অধিকার নিশ্চিত করবে না, বরং দেশের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ রপ্তানিমুখী শিল্পের টেকসই উন্নয়ন, সামাজিক স্থিতিশীলতা এবং আন্তর্জাতিক গ্রহণযোগ্যতা আরও সুদৃঢ় করবে।

    আইএইচও/এমআইএইচএস/

    পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল bdinf লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।

  • আদালত প্রাঙ্গণে চেম্বারে হামলার অভিযোগ, ফেসবুকে বিচার দাবি আইনজীবীর

    আদালত প্রাঙ্গণে চেম্বারে হামলার অভিযোগ, ফেসবুকে বিচার দাবি আইনজীবীর


    ঢাকা আদালত প্রাঙ্গণে নিজের চেম্বারে হামলা, সহকর্মীদের মারধর এবং তাকে হুমকি দেওয়ার অভিযোগ তুলে ফেসবুকে একটি পোস্ট দিয়েছেন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী অ্যাডভোকেট ফারজানা ইয়াসমিন (রাখি)। মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) সন্ধ্যায় দেওয়া ওই পোস্টে তিনি ঘটনার বিচার দাবি করেন।

    ফেসবুক পোস্টে ফারজানা ইয়াসমিন লিখেছেন, ‘গতকাল কোর্টে আওয়ামী লীগের প্রোগ্রাম করেছি—এই অভিযোগ দিয়ে আমার চেম্বারে অতর্কিত আক্রমণ এবং চেম্বারের সদস্যদের গায়ে হাত তুলে কিল-ঘুষি মেরে শারীরিকভাবে নির্যাতন করে এবং আমাকে অকথ্য ভাষায় হুমকি-ধামকি দিয়ে চেম্বার বন্ধ করে দেওয়ার অপচেষ্টার বিচার চাই।’

    তার দাবি অনুযায়ী, মঙ্গলবার বিকেল ৪টার দিকে ঢাকা জজ কোর্ট প্রাঙ্গণে তার চেম্বারে ক্লায়েন্টদের উপস্থিতিতেই এ ঘটনা ঘটে।

    অভিযোগে বলা হয়, কয়েকজন আইনজীবী চেম্বারে প্রবেশ করে আগের দিনের একটি কালো ব্যাজ কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে প্রশ্ন তোলেন। একপর্যায়ে তাদের সঙ্গে বাকবিতণ্ডা শুরু হলে চেম্বারে থাকা কয়েকজন সহকর্মীকে মারধর করা হয়।

    অ্যাডভোকেট ফারজানা ইয়াসমিন জাগো নিউজকে বলেন, পরিস্থিতি শান্ত করার চেষ্টা করলে অশালীন ভাষায় গালিগালাজ করা হয় এবং চেম্বারের শাটারে লাথি মেরে চেম্বার বন্ধ করে দেওয়ার হুমকি দেওয়া হয়। পরে আশপাশের আইনজীবী ও অন্যরা ঘটনাস্থলে জড়ো হলে অভিযুক্তরা সেখান থেকে চলে যান।

    ঘটনার বিষয়ে তাৎক্ষণিকভাবে অভিযুক্ত আইনজীবীদের বক্তব্য পাওয়া যায়নি। এছাড়া এ ঘটনায় কোনো মামলা বা সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়েছে কি না, তা-ও তাৎক্ষণিকভাবে নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

    এমডিএএ/এমআইএইচএস/

    পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল bdinf লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।

  • জুলাই গণঅভ্যুত্থান জাতির ঐক্য ও সাহসের প্রতীক: ড. ইউনূস

    জুলাই গণঅভ্যুত্থান জাতির ঐক্য ও সাহসের প্রতীক: ড. ইউনূস


    জুলাই গণঅভ্যুত্থানকে গণমানুষের অধিকার, ন্যায়বিচার ও গণতান্ত্রিক আকাঙ্ক্ষার এক ঐতিহাসিক অধ্যায় উল্লেখ করে অন্তর্বর্তী সরকারের সাবেক প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেছেন, দেশের সর্বস্তরের মানুষ যখন ঐক্যবদ্ধ হয়, তখন তারা সবচেয়ে দুর্ভেদ্য বলে মনে হওয়া কাঠামোকেও বদলে দিতে পারে।

    জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস উপলক্ষে বুধবার (৫ আগস্ট) ফেসবুকে ইউনূস সেন্টারের ভেরিফাইড পেজের মাধ্যমে দেওয়া এক বিবৃতিতে তিনি এসব কথা বলেন।

    বিবৃতিতে অধ্যাপক ইউনূস বলেন, ‘গণমানুষের অধিকার, ন্যায়বিচার এবং গণতান্ত্রিক আকাঙ্ক্ষার গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়ের সাক্ষী জুলাই। আমাদের স্মৃতিতে জুলাই দীর্ঘ, ৩৬ দিনের মাস। জুলাইয়ে আমরা আবারও স্মরণ করি, কী ভীষণ শক্তি নিয়ে এ জাতি অন্যায়ের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ হয়েছিল।’

    তিনি জুলাই গণঅভ্যুত্থানে জীবন উৎসর্গকারী শহিদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানান। একই সঙ্গে আহত, দৃষ্টিশক্তি হারানো এবং পঙ্গুত্ব বরণ করা ব্যক্তিদের প্রতিও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

    বিবৃতিতে সাবেক প্রধান উপদেষ্টা বলেন, জুলাই শুধু একটি শ্রেণি বা গোষ্ঠীর নয়, এটি সর্বস্তরের মানুষের। স্কুল, কলেজ, মাদরাসা এবং পাবলিক, প্রাইভেট ও জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের পাশাপাশি শিক্ষক, অভিভাবক, সাংবাদিক, আলোকচিত্রী, পথচারী, রাজনীতিবিদ, নাগরিক সমাজের প্রতিনিধি, লেখক, শিল্পী, সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব, রিকশাচালক, শ্রমজীবী মানুষ, বিভিন্ন পেশাজীবী, চিকিৎসক এবং প্রবাসী বাংলাদেশিদের অবদানের কথাও তিনি স্মরণ করেন।

    তিনি বলেন, জুলাইয়ে নারীরা যে অসীম সাহসিকতার পরিচয় দিয়েছেন, তা ভবিষ্যৎ প্রজন্মের নারীদের অনুপ্রাণিত করবে এবং তরুণদের সাহস জোগাবে। একই সঙ্গে শিক্ষার্থীদের অনন্য নেতৃত্ব বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য অনুপ্রেরণার উৎস হয়ে থাকবে।

    অধ্যাপক ইউনূস বলেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থান দেশের মানুষকে ঐক্যের শক্তি উপলব্ধি করতে শিখিয়েছে।

    গণতান্ত্রিক, অর্থনৈতিক ও সামাজিক অগ্রযাত্রা অব্যাহত রাখতে জাতিকে ঐক্যবদ্ধ থেকে দৃঢ় সংকল্প নিয়ে এগিয়ে যাওয়ার আহ্বান জানান তিনি।

    এমইউ/এমআইএইচএস

    পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল bdinf লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।