Category: Uncategorized

  • তসলিমা নাসরিনের দেশে আসা না আসা সম্পূর্ণ তার ব্যক্তিগত সিদ্ধান্ত  

    তসলিমা নাসরিনের দেশে আসা না আসা সম্পূর্ণ তার ব্যক্তিগত সিদ্ধান্ত  


    নির্বাসিত লেখক তসলিমা নাসরিনের দেশে আসা বা না আসা সম্পূর্ণ তার ব্যক্তিগত সিদ্ধান্ত বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচারবিষয়ক উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান।

    মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) সচিবালয়ে সরকারের বিভিন্ন কার্যক্রমের অগ্রগতি বিষয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

    সম্প্রতি তসলিমা নাসরিন অভিযোগ করেন, গত ৩২ বছর ধরে কোনো সরকারই তাকে দেশে ফিরতে দেয়নি। এ বিষয়ে সরকারের অবস্থান জানতে চাইলে ডা. জাহেদ উর রহমান বলেন, তাকে দেশে আনার জন্য সরকারের কোনো উদ্যোগ নেই। তিনি যদি দেশে ফিরতে চান, তাহলে প্রচলিত আইন ও প্রক্রিয়া অনুসরণ করে আবেদন করতে পারেন। এরপর সরকার আইন অনুযায়ী সিদ্ধান্ত নেবে। এটি সম্পূর্ণ তার ব্যক্তিগত সিদ্ধান্ত।

    আরেক প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রীর এই উপদেষ্টা বলেন, তসলিমা নাসরিন অতীতে যেসব লেখক, সাহিত্যিক ও সম্পাদকের বিরুদ্ধে নিপীড়ন বা হয়রানির অভিযোগ তুলেছেন, তিনি যদি দেশে ফিরে আদালতের আশ্রয় নিতে চান, তাহলে আইন অনুযায়ী সেই সুযোগ পাবেন।

    ডা. জাহেদ উর রহমান বলেন, ফৌজদারি অপরাধ তামাদি হয় না। তিনি যদি নিজেকে ভুক্তভোগী মনে করেন এবং আদালতে যেতে চান, তাহলে প্রচলিত আইন অনুযায়ী তা করতে পারবেন।

    একই সংবাদ সম্মেলনে শেখ হাসিনার দেশে ফেরার প্রসঙ্গেও কথা বলেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচারবিষয়ক উপদেষ্টা। তিনি জানান, সরকার শেখ হাসিনাকে দেশে ফিরিয়ে আনতে আইনি ও কূটনৈতিক প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। তিনি দেশে ফিরলে আইন অনুযায়ী গ্রেফতার করা হবে এবং একজন আসামি হিসেবে তার প্রাপ্য সব আইনগত অধিকার নিশ্চিত করা হবে। আদালত যে রায় দেবেন, সরকার সেটিই মেনে নেবে।

    এ সময় সরকার কোনো ধরনের ভূরাজনৈতিক (জিওপলিটিক্যাল) সংকটে নেই বলেও দাবি করেন ডা. জাহেদ উর রহমান। তিনি বলেন, জাতীয় স্বার্থকে অগ্রাধিকার দিয়ে বর্তমান সরকার যুক্তরাষ্ট্র, ভারত, চীন, রাশিয়াসহ সব দেশের সঙ্গে ভারসাম্যপূর্ণ সম্পর্ক বজায় রেখে কাজ করছে।

    এমএএস/ইএ

    পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।



    Source link

  • কেরানীগঞ্জে দুই তরুণীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ মামলায় ৬ যুবকের আমৃত্যু কারাদণ্ড

    কেরানীগঞ্জে দুই তরুণীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ মামলায় ৬ যুবকের আমৃত্যু কারাদণ্ড

    দক্ষিণ কেরানীগঞ্জে দুই তরুণীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের ঘটনায় দায়ের করা মামলায় ছয় যুবককে আমৃত্যু কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে প্রত্যেককে এক লাখ টাকা করে অর্থদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

    জরিমানার অর্থ আদায়ে প্রয়োজন হলে দণ্ডপ্রাপ্তদের স্থাবর ও অস্থাবর সম্পত্তি বিক্রির নির্দেশ দিয়ে সেই অর্থ ভুক্তভোগী ও তাদের পরিবারের কাছে পৌঁছে দিতে জেলা ম্যাজিস্ট্রেটকে নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।

    মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) ঢাকার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-৪-এর বিচারক মুন্সী মো. মশিয়ার রহমান এ রায় ঘোষণা করেন। দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- রাহুল, ডায়মন্ড, অনিম, পলাশ, মিনহাজ আবেদীন ও মিনহাজ বাবু।

    রায়ে আদালত প্রত্যেক আসামিকে এক লাখ টাকা করে অর্থদণ্ড দেন। পাশাপাশি নির্দেশ দেওয়া হয়, দণ্ডপ্রাপ্তরা জরিমানার অর্থ পরিশোধে ব্যর্থ হলে তাদের স্থাবর কিংবা অস্থাবর সম্পত্তি বিক্রি করে সেই অর্থ আদায় করতে হবে। আদায়কৃত অর্থ ভুক্তভোগী দুই তরুণী ও তাদের পরিবারের কাছে পৌঁছে দিতে ঢাকার জেলা ম্যাজিস্ট্রেট (কালেক্টর) প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবেন।

    মামলার নথি থেকে জানা যায়, ২০২২ সালের ২৫ জুন বিকেলে দুই তরুণী কয়েকজন বন্ধুর সঙ্গে এক বন্ধুর জন্মদিন উদযাপন করতে বের হন। রাতের দিকে কেরানীগঞ্জের একটি রেস্তোরাঁয় খাওয়া-দাওয়া শেষে শুভাঢ্যা এলাকায় বাড়ি ফেরার জন্য যানবাহনের অপেক্ষায় ছিলেন তারা।

    এ সময় একটি অটোমিশুক নিয়ে আসা আসামিরা তাদের পথরোধ করে। তারা সঙ্গে থাকা বন্ধুদের মারধর ও ভয়ভীতি দেখিয়ে টাকা ও মোবাইলফোন ছিনিয়ে নেয়। পরে দুই তরুণীকে ‌‘রতনের খামার’ নামে একটি নির্জন স্থানে নিয়ে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ করে। ঘটনার ভিডিও ধারণের পাশাপাশি তাদের মোবাইলফোনও নিয়ে যায়।

    পরে ভুক্তভোগীদের সঙ্গে থাকা বন্ধুরা দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানায় খবর দিলে ঘটনাস্থলে গিয়ে দুই তরুণীকে উদ্ধার করে পুলিশ।

    এ ঘটনায় ২০২২ সালের ২৯ জুন ভুক্তভোগীদের একজনের বাবা দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানায় মামলা দায়ের করেন। তদন্ত শেষে ২০২৩ সালের ৩০ এপ্রিল থানার উপপরিদর্শক (এসআই) শরজিৎ কুমার ঘোষ ছয় আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। পরবর্তীতে আদালত অভিযোগ গঠন করে সাক্ষ্য-প্রমাণ গ্রহণ ও বিচারিক কার্যক্রম শেষে মঙ্গলবার এ রায় দেন।