Category: Uncategorized

  • ৫ আগস্টে নিষিদ্ধ সংগঠনের গতিবিধি গোয়েন্দা নজরদারি করবে র‍্যাব

    ৫ আগস্টে নিষিদ্ধ সংগঠনের গতিবিধি গোয়েন্দা নজরদারি করবে র‍্যাব


    জুলাই গণ-অভ্যুত্থান দিবস উপলক্ষে রাজধানীতে আয়োজিত রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠান কেন্দ্র করে উগ্রবাদী ও নিষিদ্ধ সংগঠনের সম্ভাব্য তৎপরতা ঠেকাতে বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়েছে র‍্যাব-২। দিবসটি ঘিরে এসব সংগঠনের গতিবিধির ওপর গোয়েন্দা নজরদারি জোরদার করা হবে বলে জানিয়েছে বাহিনীটি।

    মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) রাতে র‍্যাব-২ এর উপ-পরিচালক (মিডিয়া) মেজর এম মুবীন রহমান তাপস এ তথ্য জানান।

    তিনি জানান, ৫ আগস্ট চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে জুলাই শহীদ পরিবার ও জুলাই যোদ্ধাদের সংবর্ধনা এবং আলোচনা সভায় রাষ্ট্রপতি উপস্থিত থাকবেন। একই দিনে শেরেবাংলা নগরে জুলাই স্মৃতি জাদুঘরের উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী। এ দুটি অনুষ্ঠান ঘিরে সর্বোচ্চ নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ২১২ সদস্যের বিশেষ নিরাপত্তা পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।

    নিষিদ্ধ সংগঠন, উগ্রবাদী গোষ্ঠী কিংবা রাষ্ট্রবিরোধী কোনো মহল যাতে নাশকতা বা অপ্রীতিকর পরিস্থিতি সৃষ্টি করতে না পারে, সে লক্ষ্যে গোয়েন্দা নজরদারির পাশাপাশি অনুষ্ঠানস্থলের প্রবেশ ও বহির্গমন পথে চেকপোস্ট, রোবাস্ট পেট্রোলিং, সার্বক্ষণিক টহল, মোটরসাইকেল পেট্রোলিং এবং ড্রোনের মাধ্যমে নজরদারির ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।

    এছাড়া রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তা সংস্থা এসএসএফের সঙ্গে সমন্বয় করে প্রয়োজনীয় নিরাপত্তা কার্যক্রম পরিচালনা, ডগ স্কোয়াড ও বোম্ব স্কোয়াড মোতায়েন এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে গুজব প্রতিরোধে সাইবার সিকিউরিটি টিম কাজ করবে বলেও জানানো হয়েছে।

    মেজর এম মুবীন রহমান তাপস আরও জানান, জুলাই গণ-অভ্যুত্থান দিবস উপলক্ষে আয়োজিত সব সরকারি, বেসরকারি ও সামাজিক অনুষ্ঠানের সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা এবং জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বাহিনীটি বদ্ধপরিকর। যে কোনো ধরনের নাশকতা প্রতিরোধে র‍্যাব সর্বদা প্রস্তুত রয়েছে।

    একই সঙ্গে কোনো সন্দেহজনক কার্যকলাপ চোখে পড়লে নিকটস্থ র‍্যাব ক্যাম্প অথবা র‍্যাব-২-এর হটলাইন নম্বরে ‘০১৭৭৭৭১০২৯৯’ তথ্য দেওয়ার জন্য অনুরোধ জানানো হয়েছে।

    টিটি/এমআইএইচএস

    পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল bdinf লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।

  • কোনো সন্ত্রাসী হামলা করতে এলে প্রতিরোধ করুন: ছাত্রদল সভাপতি

    কোনো সন্ত্রাসী হামলা করতে এলে প্রতিরোধ করুন: ছাত্রদল সভাপতি


    ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সভাপতি রাকিবুল ইসলাম রাকিব বলেছেন, সবাই ধৈর্য ও সহনশীলতা বজায় রাখবেন। তবে যদি কোনো সন্ত্রাসী অরাজকতা সৃষ্টি করতে চায়, হামলা করতে চায় বা দেশীয় অস্ত্র ব্যবহার করে নাশকতার চেষ্টা করে, তাহলে তাকে যে ভাষায়, যেভাবে প্রতিরোধ করা প্রয়োজন, সেভাবেই প্রতিরোধ করবেন।

    মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) রাতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি) ক্যাম্পাসে একটি বিক্ষোভ মিছিল শেষে সমাবেশে উপস্থিত মহানগর ছাত্রদল নেতাসহ বিভিন্ন নেতাকর্মীদের উদ্দেশ্যে বক্তব্যকালে তিনি এসব কথা বলেন।

    সংক্ষিপ্ত বক্তব্যের আগে তার নেতৃত্বে ক্যাম্পাসে ছাত্রদল নেতাকর্মীদের একটি বিক্ষোভ মিছিল বের হয়। বিক্ষোভ মিছিল থেকে নেতাকর্মীরা শিবিরের বিরুদ্ধে বিভিন্ন স্লোগান দেন।

    উপস্থিত নেতাকর্মীদের সবাইকে ধন্যবাদ জানিয়ে ধৈর্য ও সহনশীলতা বজায় রাখতে বলেন।

    তিনি উপস্থিত নেতাকর্মীদের উদ্দেশে পুনরায় সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়ে বলেন, দেশে কোনো সন্ত্রাসী গোষ্ঠী যাতে নাশকতা সৃষ্টি করতে না পারে, সে বিষয়ে সবাইকে সজাগ থাকতে হবে।

    এমইউ/এমআইএইচএস

    পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল bdinf লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।

  • জুলাই গণ-অভ্যুত্থান দিবসে বিটিভির দিনব্যাপী বিশেষ আয়োজন

    জুলাই গণ-অভ্যুত্থান দিবসে বিটিভির দিনব্যাপী বিশেষ আয়োজন


    জুলাই গণ-অভ্যুত্থান দিবস উপলক্ষে দিনব্যাপী বিশেষ অনুষ্ঠানমালার আয়োজন করেছে রাষ্ট্রীয় সম্প্রচারমাধ্যম বাংলাদেশ টেলিভিশন (বিটিভি)। আগামীকাল (৫ আগস্ট) বিভিন্ন বিশেষ অনুষ্ঠান, আলোচনা, কবিতা আবৃত্তি, সাক্ষাৎকার ও সাংস্কৃতিক পরিবেশনার পাশাপাশি রাষ্ট্রীয় কর্মসূচির সরাসরি সম্প্রচার করবে চ্যানেলটি।

    বিটিভি জানিয়েছে, দিনজুড়ে জুলাই গণ-অভ্যুত্থানকে কেন্দ্র করে নির্মিত বিশেষ ফিলারও প্রচার করা হবে। একই সঙ্গে রাষ্ট্রীয় পর্যায়ের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ অনুষ্ঠানও সরাসরি সম্প্রচার করবে রাষ্ট্রীয় সম্প্রচারমাধ্যমটি।

    বিশেষ আয়োজনের সূচনা হবে বিকেল ৪টা ৫ মিনিটে। এ সময় জান্নাতুল ফেরদৌসের প্রযোজনায় প্রচারিত হবে কবিতা আবৃত্তির অনুষ্ঠান। এরপর বিকেল ৪টা ৩০ মিনিটে ইয়াসমিন আক্তারের প্রযোজনায় ‘আয়নাঘর’র দুঃসহ স্মৃতি নিয়ে নির্মিত একটি সাক্ষাৎকারভিত্তিক অনুষ্ঠান প্রচার করা হবে।

    সন্ধ্যা ৭টায় আফরোজা সুলতানার প্রযোজনায় সম্প্রচার হবে জুলাই-আগস্ট গণ-অভ্যুত্থানভিত্তিক বিশেষ কবিতা আবৃত্তির অনুষ্ঠান।

    রাত ৮টা ৫০ মিনিটে হাসান রিয়াদের প্রযোজনায় প্রচারিত হবে ‘জুলাই-আগস্ট গণ-অভ্যুত্থান ও গণতন্ত্রের উত্তরাধিকার’ শীর্ষক বিশেষ আলোচনা অনুষ্ঠান। এরপর রাত ১০টায় মাহবুবা জ্যামিনের প্রযোজনায় নাচ, গান ও আলোচনার সমন্বয়ে নির্মিত একটি বিশেষ অনুষ্ঠান প্রচার করা হবে। রাত ১১টায় মোস্তাফিজুর রহমানের প্রযোজনায় থাকবে আরও একটি বিশেষ আলোচনা অনুষ্ঠান।

    স্টুডিওভিত্তিক আয়োজনের পাশাপাশি রাষ্ট্রীয় বিভিন্ন কর্মসূচিও সরাসরি সম্প্রচার করবে বিটিভি। এর মধ্যে বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্র থেকে জুলাই শহীদ পরিবার ও জুলাই যোদ্ধাদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠান এবং জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজা থেকে জুলাই গণ-অভ্যুত্থান দিবস উপলক্ষে আয়োজিত পুরস্কার বিতরণী ও আলোচনা অনুষ্ঠান সরাসরি দেখানো হবে। দুটি অনুষ্ঠানেই প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন রাষ্ট্রপতি।

    এ ছাড়া জুলাই গণ-অভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর থেকে জাদুঘরের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানও সরাসরি সম্প্রচার করবে বাংলাদেশ টেলিভিশন। দিনব্যাপী এই আয়োজনের মাধ্যমে জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের ইতিহাস, স্মৃতি ও তাৎপর্য দর্শকদের সামনে তুলে ধরবে রাষ্ট্রীয় সম্প্রচারমাধ্যমটি।

    এমএমএফ

    পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল bdinf লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।

  • স্বাধীন বিচার বিভাগ ও সংসদীয় গণতন্ত্রে খালেদা জিয়ার অবদান সবচেয়ে বেশি

    স্বাধীন বিচার বিভাগ ও সংসদীয় গণতন্ত্রে খালেদা জিয়ার অবদান সবচেয়ে বেশি


    বাংলাদেশের স্বাধীন বিচার বিভাগ প্রতিষ্ঠা এবং সংসদীয় গণতন্ত্রের অভিযাত্রায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী প্রয়াত বেগম খালেদা জিয়ার অবদান অনস্বীকার্য বলে মন্তব্য করেছেন রাষ্ট্রের প্রধান আইন কর্মকর্তা অ্যাটর্নি জেনারেল ব্যারিস্টার মো. রুহুল কুদ্দুস কাজল। তিনি বলেন, বর্তমানে দেশে যে সংসদীয় সরকারব্যবস্থা বিদ্যমান, তা বেগম খালেদা জিয়ার অবদানেরই ফল।

    মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) বিকেলে অ্যাটর্নি জেনারেলের নেতৃত্বে নবনিযুক্ত ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল ও সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেলদের সঙ্গে নিয়ে সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান এবং সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার সমাধিতে শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে তিনি এমন কথা বলেন।

    এদিন বিকেলে শেরেবাংলা নগরে জিয়াউর রহমান ও খালেদা জিয়ার সমাধিতে উপস্থিত হয়ে তিনি পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন। পুষ্পস্তবক অর্পণ শেষে তাদের রুহের মাগফিরাত কামনা করে মোনাজাত করা হয়।

    এসময় অতিরিক্ত অ্যাটর্নি জেনারেল মোহাম্মদ আরশাদুর রউফ, মোহাম্মদ অনীক রুশদ হকসহ নবনিযুক্ত ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল ও সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেলরা উপস্থিত ছিলেন।

    অ্যাটর্নি জেনারেল বলেন, জিয়াউর রহমান ও খালেদা জিয়া এমন দুজন ব্যক্তিত্ব যাদের পরিচয় এখন আর কোনো নির্দিষ্ট রাজনৈতিক দলের মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই। জিয়াউর রহমানের অবদানের কথা স্মরণ করে তিনি বলেন, সিপাহী জনতার বিপ্লবের মাধ্যমে রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব নেওয়ার পর জিয়াউর রহমান দেশে সুশাসন প্রতিষ্ঠা, বহুদলীয় গণতন্ত্রের প্রচলন এবং সংবাদপত্রের অবাধ তথ্য প্রবাহ নিশ্চিত করেছিলেন। অন্যদিকে, বেগম খালেদা জিয়া দীর্ঘ নয় বছর স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলন করে দেশে গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠা করেছেন।

    রাষ্ট্রের প্রধান আইন কর্মকর্তা হিসেবে নিজের ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনা তুলে ধরে রুহুল কুদ্দুস কাজল বলেন, গণতন্ত্র, মানবাধিকার এবং ন্যায়বিচারের প্রতি অঙ্গীকারই হবে আমাদের মূলমন্ত্র। তিনি আরও বলেন, রাষ্ট্রকে প্রতিনিধিত্ব করার পাশাপাশি সাধারণ নিপীড়িত মানুষ যেন আদালতের কাছে ন্যায়বিচার পায়, সেটি নিশ্চিত করাও আমাদের দায়িত্ব।

    এ সময় তিনি গণমাধ্যমকর্মীদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, অপতথ্য বা খণ্ডিত তথ্য দিয়ে যেন দেশের অগ্রযাত্রা ব্যাহত না হয়, সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে। একইসঙ্গে নবনিযুক্ত আইন কর্মকর্তাদের সততা ও নিষ্ঠার সাথে দায়িত্ব পালনের মাধ্যমে নিজেদের যোগ্যতার প্রমাণ রাখার নির্দেশ দেন তিনি।

    গত ৩০ জুলাই আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের আইন ও বিচার বিভাগের সলিসিটর অনুবিভাগ পৃথক দুটি প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে পূর্বে নিয়োগপ্রাপ্ত সব ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল ও সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেলের নিয়োগ বাতিল করে নতুন করে ৮৬ জন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল এবং ১৭৯ জন সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল নিয়োগ দেয় সরকার।

    এফএইচ/এমএএইচ/

    পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল bdinf লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।

  • রিহ্যাবে হচ্ছেটা কী?

    রিহ্যাবে হচ্ছেটা কী?


    দেশের আবাসন খাতের সবচেয়ে বড় সংগঠন রিয়েল এস্টেট অ্যান্ড হাউজিং অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (রিহ্যাব)। অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্ব প্রকাশ্যে আসায় আলোচনায় সংগঠনটি।

    প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিলে দুই কোটি টাকা অনুদান, পরিচালনা পর্ষদের সিদ্ধান্ত গ্রহণের প্রক্রিয়া, অভিযোগ-পাল্টা অভিযোগ ও বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের হস্তক্ষেপ- সব মিলিয়ে সংগঠনটির কার্যক্রমে তৈরি হয়েছে অস্বস্তিকর পরিস্থিতি।

    আপাতদৃষ্টিতে অভ্যন্তরীণ মতবিরোধ মনে হলেও এর প্রভাব পড়তে পারে আবাসন খাতের ব্যবসায়িক পরিবেশ, বিনিয়োগকারীদের আস্থা ও ফ্ল্যাট ক্রেতাদের ওপরও। ফলে প্রশ্ন উঠছে- রিহ্যাব কি অভ্যন্তরীণ ঐক্যের পথে ফিরবে, নাকি অভিযোগের রাজনীতিতে সংগঠনটি আরও বিভক্ত হবে?

    গত ১৮ এপ্রিল ২৯টি পরিচালক পদের জন্য নির্বাচন হয় রিহ্যাবে। ২২ জুলাই প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করে তহবিলে দুই কোটি চেক দেয় সংগঠনটি। বিষয়টি নিয়ে নিজেদের মধ্যে তৈরি হয় মতবিরোধ। ২৬ জুলাই বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে অভিযোগ দেয় একটি পক্ষ। পরে ৩০ জুলাই রিহ্যাবের এজিএম এক মাসের জন্য স্থগিত করে মন্ত্রণালয়। পক্ষ-বিপক্ষ মতবিরোধে এখন দ্বিধাবিভক্ত সংগঠনটির নেতারা।

    যেভাবে শুরু হলো ‘বিতর্ক’

    বিতর্কের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিলে রিহ্যাবের পক্ষ থেকে দুই কোটি টাকার অনুদান। পরিচালনা পর্ষদের ১০ জন নির্বাচিত সদস্যের অভিযোগ, অনুদানসহ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত বোর্ডের যথাযথ অনুমোদন ছাড়া নেওয়া হয়েছে।

    তাদের দাবি, সংগঠনের গঠনতন্ত্র ও প্রশাসনিক প্রক্রিয়া যথাযথভাবে অনুসরণ করা হয়নি। যদিও পরিচালনা পর্ষদ থেকে প্রধানমন্ত্রীর অনুদানের বিষয়টা নীতিগত অনুমোদন হয়। তবে একটি পক্ষের অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে তারা সরাসরি বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে লিখিত অভিযোগ করেন। অভিযোগের শুনানি অনুষ্ঠিত হয় গত ৩০ জুলাই।

    এজিএম স্থগিত, তদন্তের সিদ্ধান্ত

    চার ঘণ্টার দীর্ঘ শুনানির পর বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের বাণিজ্য সংস্থা অনুবিভাগ (ডিটিও) অভিযোগগুলো আরও গভীরভাবে যাচাইয়ের প্রয়োজনীয়তা উল্লেখ করে রিহ্যাবের নির্ধারিত বার্ষিক সাধারণ সভা (এজিএম) এক মাসের জন্য স্থগিত করে।

    একই সঙ্গে অভিযোগ তদন্তে একটি উচ্চপর্যায়ের নিরপেক্ষ তদন্ত কমিটি গঠনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। আগামী এক মাসের মধ্যে কমিটি প্রতিবেদন দেবে। সেই প্রতিবেদনের ভিত্তিতেই নেওয়া হবে পরবর্তী সিদ্ধান্ত।

    তবে মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, এজিএম স্থগিত হলেও রিহ্যাবের নিয়মিত কার্যক্রম, সদস্য সেবা ও ফ্ল্যাট ক্রেতাদের অভিযোগ নিষ্পত্তিসহ অন্য কার্যক্রম স্বাভাবিক থাকবে।

    ১৯ পরিচালকের পাল্টা অবস্থান

    অভিযোগ ওঠার পরপরই পরিচালনা পর্ষদের ২৯ সদস্যের মধ্যে ১৯ জন নির্বাচিত পরিচালক আলাদাভাবে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে চিঠি দিয়ে বর্তমান নেতৃত্বের প্রতি সমর্থন জানান। তাদের দাবি, রিহ্যাবের দ্বিতীয় বোর্ড সভায়ই প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিলে অনুদান দেওয়ার নীতিগত সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছিল। যদিও সেখানে অনুদানের নির্দিষ্ট পরিমাণ উল্লেখ ছিল না।

    পরবর্তীসময়ে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাতের সময় আকস্মিকভাবে নির্ধারিত হওয়ায় নতুন বোর্ড সভা ডাকার সুযোগ ছিল না। ফলে আগের নীতিগত সিদ্ধান্তের ভিত্তিতেই দুই কোটি টাকার চেক হস্তান্তর করা হয়। দ্বিতীয় বোর্ড সভার কার্যবিবরণীতেও প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিলে অনুদান দেওয়ার বিষয়ে সিদ্ধান্তের উল্লেখ রয়েছে বলে দাবি করেন তারা।

    তাদের ভাষ্য, যেহেতু নীতিগত অনুমোদন আগে থেকেই ছিল এবং অর্থের পরিমাণ ভাইস প্রেসিডেন্টদের আলোচনায় নির্ধারণ করা হয়েছে, তাই সভাপতির এই পদক্ষেপকে নিয়মবহির্ভূত বলা যায় না।

    তাদের আরও দাবি, প্রয়োজন হলে পোস্ট-ফ্যাক্টো (কোনো কাজ ঘটার পর তার ওপর ভিত্তি করে নতুন নিয়ম বা সিদ্ধান্ত নেওয়া) অনুমোদনের সুযোগও রয়েছে।

    ‘অনুদান’ না বলে ‘২ কোটি টাকা ব্যয়’ নিয়ে আপত্তি নেতৃত্বের

    বর্তমান নেতৃত্বের ঘনিষ্ঠ পরিচালকদের অভিযোগ, যারা অনিয়মের অভিযোগ তুলছেন, তারা বারবার ‘দুই কোটি টাকা ব্যয়’ হওয়ার কথা বললেও একবারও উল্লেখ করছেন না যে অর্থটি প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিলে অনুদান হিসেবে দেওয়া হয়েছে।

    তাদের মতে, একটি মানবিক উদ্যোগকে রাজনৈতিক বিতর্কে রূপ দেওয়ার চেষ্টা করা হচ্ছে।

    সংকটের কেন্দ্রবিন্দু অনুদান, নাকি আস্থার ঘাটতি?

    বর্তমান সংকটের কেন্দ্রে শুধু দুই কোটি টাকার অনুদান নয়, বরং সিদ্ধান্ত গ্রহণের স্বচ্ছতা, বোর্ডের অভ্যন্তরীণ যোগাযোগ ও পারস্পরিক আস্থার ঘাটতি বলে মনে করেন অনেকে।

    রিহ্যাবের একপক্ষ বিষয়টিকে প্রশাসনিক অনিয়ম হিসেবে দেখছে, অন্যপক্ষ বলছে এটি মানবিক সিদ্ধান্ত কেন্দ্র করে সৃষ্ট রাজনৈতিক বিতর্ক। চূড়ান্ত সত্যতা নির্ভর করছে তদন্ত কমিটির প্রতিবেদনের ওপর।

    এখন যে প্রশ্নগুলো সামনে এসেছে তার মধ্যে রয়েছে- অনুদান দেওয়ার ক্ষেত্রে গঠনতন্ত্র যথাযথভাবে অনুসরণ করা হয়েছিল কি না, পোস্ট-ফ্যাক্টো অনুমোদনের সুযোগ এক্ষেত্রে প্রযোজ্য কি না, অভিযোগগুলো প্রশাসনিক প্রক্রিয়ার সীমাবদ্ধতা কি না, নাকি গুরুতর অনিয়ম, ভবিষ্যতে রিহ্যাব কি অভ্যন্তরীণ সংলাপের মাধ্যমে মতবিরোধ মেটাতে পারবে?

    আবাসন খাত বর্তমানে অর্থনৈতিক মন্দা, নির্মাণ ব্যয় বৃদ্ধি ও ক্রেতাদের আস্থার সংকটসহ একাধিক চ্যালেঞ্জের মুখে। এমন সময়ে দেশের সবচেয়ে বড় আবাসন সংগঠনের অভ্যন্তরীণ বিরোধ শুধু নেতৃত্বের প্রশ্ন নয়, পুরো শিল্পের জন্যই গুরুত্বপূর্ণ।

    সূত্র বলছে, তদন্ত কমিটির প্রতিবেদন এই বিতর্কের আইনি ও প্রশাসনিক দিক স্পষ্ট করবে। তবে সংগঠনের দীর্ঘমেয়াদি স্থিতিশীলতার জন্য সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হবে অভিযোগ ও পাল্টা অভিযোগের রাজনীতি পেছনে ফেলে সদস্যদের মধ্যে আস্থা ফিরিয়ে আনা এবং অভ্যন্তরীণ গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া আরও শক্তিশালী করা।

    এ ধরনের বিরোধ বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে না নিয়ে সংগঠনের ভেতরে বিশেষ সাধারণ সভা (ইজিএম) বা আলোচনার মাধ্যমে সমাধান করা যেত। এমন বিরোধ সংগঠনের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করে।-রিহ্যাবের সাবেক সভাপতি প্রকৌশলী মোহাম্মদ আবদুল আউয়াল

    রিহ্যাবের সাবেক সভাপতি ও দ্য স্ট্রাকচারাল ইঞ্জিনিয়ার্স লিমিটেডের (এসইএল) ব্যবস্থাপনা পরিচালক প্রকৌশলী মোহাম্মদ আবদুল আউয়াল মনে করেন, ‘এ ধরনের বিরোধ বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে না নিয়ে সংগঠনের ভেতরে বিশেষ সাধারণ সভা (ইজিএম) বা আলোচনার মাধ্যমে সমাধান করা যেত। এমন বিরোধ সংগঠনের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করে।’

    তিনি বলেন, ‘আবাসন খাত এমনিতেই কঠিন সময় পার করছে। করোনা-পরবর্তী অর্থনৈতিক চাপ, ইউক্রেন যুদ্ধের প্রভাব, মূল্যস্ফীতি ও নির্মাণসামগ্রীর মূল্যবৃদ্ধির কারণে ফ্ল্যাট বিক্রি কমেছে। নতুন প্রকল্পও কমে গেছে। এর সঙ্গে বিদ্যুৎ, গ্যাস ও পরিবহন ব্যয় বৃদ্ধির ফলে নির্মাণ ব্যয়ও বেড়েছে, যার চাপ শেষ পর্যন্ত ক্রেতাদের ওপরই পড়বে।’

    কেন মন্ত্রণালয়ে গেল বিরোধ?

    সংগঠনের ভেতরের একাধিক সূত্র বলছে, প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাতের অনুষ্ঠানে সব ভাইস প্রেসিডেন্ট ও পরিচালককে অন্তর্ভুক্ত না করায় কিছু সদস্যের মধ্যে অসন্তোষ তৈরি হয়।

    আমরা বিভাজনের রাজনীতিতে বিশ্বাস করি না। নির্বাচনের পর সবাইকে নিয়েই সংগঠন পরিচালনা শুরু করেছি। গুরুত্বপূর্ণ কমিটিগুলোর চেয়ারম্যানও অভিযোগকারী ভাই-বোনদের মধ্যে থেকেই করা হয়েছে।-রিহ্যাব সভাপতি ড. আলী আফজাল

    এ বিষয়ে রিহ্যাব সভাপতি ড. আলী আফজালের বক্তব্য, তিনি পাঁচ সদস্যের একটি তালিকা পাঠিয়েছিলেন। তবে প্রধানমন্ত্রীর দপ্তর থেকে চূড়ান্তভাবে তার সঙ্গে মাত্র দুজনকে অনুমোদন দেওয়া হয়। ফলে কারা যাবেন, সেটি রিহ্যাব এককভাবে নির্ধারণ করেনি।

    রিহ্যাব সভাপতি ড. আলী আফজাল জাগো নিউজকে বলেন, ‘আমরা বিভাজনের রাজনীতিতে বিশ্বাস করি না। নির্বাচনের পর সবাইকে নিয়েই সংগঠন পরিচালনা শুরু করেছি। গুরুত্বপূর্ণ কমিটিগুলোর চেয়ারম্যানও অভিযোগকারী ভাই-বোনদের মধ্যে থেকেই করা হয়েছে।’

    তার ভাষ্য, ‘আবাসন খাত বর্তমানে নানা চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি। তাই ছোটোখাটো মতপার্থক্য আলোচনা ও পারস্পরিক সমঝোতার মাধ্যমে সমাধান করেই এগিয়ে যাওয়া উচিত।’

    আমাদের মূল লক্ষ্য সংগঠনকে আরও শক্তিশালী করা এবং আবাসন শিল্পের বিদ্যমান সমস্যাগুলোর কার্যকর সমাধান খুঁজে বের করা।-রিহ্যাবের সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট আব্দুর রাজ্জাক

    পরিচালনা পর্ষদের ১০ সদস্য অভ্যন্তরীণ আলোচনার পথ না বেছে সরাসরি বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে যাওয়ায় সংগঠনের কার্যক্রমে অচলাবস্থা তৈরি হয়েছে। কোনো মতপার্থক্য থাকলে প্রথমে বোর্ডের ভেতরে আলোচনা হওয়া উচিত ছিল।

    রিহ্যাবের সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট আব্দুর রাজ্জাকের অভিযোগ, ‘পরিচালনা পর্ষদের ১০ সদস্য অভ্যন্তরীণ আলোচনার পথ না বেছে সরাসরি বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে যাওয়ায় সংগঠনের কার্যক্রমে অচলাবস্থা তৈরি হয়েছে। কোনো মতপার্থক্য থাকলে প্রথমে বোর্ডের ভেতরে আলোচনা হওয়া উচিত ছিল। সরাসরি মন্ত্রণালয়ে যাওয়ায় সংগঠনের ভাবমূর্তি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।’

    ‘প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিলে অনুদান কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের স্বার্থে নয়, বরং দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের সহায়তার জন্য মানবিক বিবেচনায় দেওয়া হয়েছিল। অডিটে প্রশ্ন উঠলেও পোস্ট-ফ্যাক্টো অনুমোদনের মাধ্যমে বিষয়টির নিয়মতান্ত্রিক সমাধান সম্ভব।’

    এমনকি বোর্ড অনুমোদন না দিলে সভাপতি নিজস্ব অর্থ থেকে ওই টাকা পরিশোধ করবেন বলেও ঘোষণা দিয়েছেন বলে জানান তিনি।

    আব্দুর রাজ্জাক বলেন, ‘গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিলে অনুদান দেওয়ার অনুরোধ জানালে রিহ্যাব নীতিগত সিদ্ধান্ত নেয়। রিহ্যাবের ফান্ড পর্যাপ্ত না থাকায় রূপায়ণ তহবিল থেকে এক কোটি টাকা ঋণ নিয়ে রিহ্যাবের পক্ষ থেকে মোট দুই কোটি টাকা দেওয়া হয়।’

    মোট ছয়টি সদস্য প্রতিষ্ঠান (রূপায়ণ, ইস্টার্ন হাউজিং, আমিন মোহাম্মদ ফাউন্ডেশন, ইউনাইটেড গ্রুপ, ইউএস-বাংলা ও স্বদেশ) ১২ কোটি টাকা এবং রিহ্যাবের দুই কোটি টাকাসহ মোট ১৪ কোটি টাকার চেক প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিবের কাছে হস্তান্তর করা হয়।

    অভিযোগকারী পক্ষের বক্তব্য দিতে অস্বীকৃতি

    অভিযোগকারী পক্ষের অন্যতম নেতা ও রিহ্যাবের প্রথম ভাইস প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ আক্তার বিশ্বাসের সঙ্গে একাধিকবার হোয়াটসঅ্যাপে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি সাড়া দেননি।

    লিখিত প্রশ্ন পাঠানো হলেও জবাব দেননি। তবে গত ২৮ জুলাই এ বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘আমি এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিক চিঠি পাইনি। তাই এ বিষয়ে মন্তব্য করতে পারবো না।’

    যা বলছে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়

    চার ঘণ্টার শুনানিতে এত বড় অভিযোগের সত্য-মিথ্যা নির্ধারণ সম্ভব নয়। তাই নিরপেক্ষ তদন্ত কমিটি গঠন করা হচ্ছে। তাদের সুপারিশের ভিত্তিতেই পরবর্তী সিদ্ধান্ত হবে।-বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব (ডিটিও) মোহাম্মদ মোস্তফা জামাল হায়দার

    এ বিষয়ে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব (ডিটিও) মোহাম্মদ মোস্তফা জামাল হায়দার জাগো নিউজকে বলেন, ‘অভিযোগগুলোর মধ্যে কিছু বিষয় প্রক্রিয়াগত ভুল হতে পারে, আবার কিছু অভিযোগ নৈতিক প্রশ্নও তৈরি করতে পারে।’

    তার ভাষ্য, ‘চার ঘণ্টার শুনানিতে এত বড় অভিযোগের সত্য-মিথ্যা নির্ধারণ সম্ভব নয়। তাই নিরপেক্ষ তদন্ত কমিটি গঠন করা হচ্ছে। তাদের সুপারিশের ভিত্তিতেই পরবর্তী সিদ্ধান্ত হবে।’

    তিনি বলেন, ‘দুই পক্ষের মধ্যে সদস্য সংখ্যার ভারসাম্য ও ব্যক্তিগত মতবিরোধও বর্তমান সংকটের অন্যতম কারণ। তবে প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিলে অনুদান দেওয়া হয়েছে এটা ঠিক। আমরা দুই পক্ষকে বসে সমাধান করার জন্য বলেছি, এটা হলে ভালো সমাধান এলো।’

    ইএআর/এএসএ/ এমএফএ

  • পরমাণু কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউটের নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি, আবেদন ফি ১১২ টাকা

    পরমাণু কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউটের নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি, আবেদন ফি ১১২ টাকা


    বাংলাদেশ পরমাণু কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট (বিনা) ১৪ থেকে ১৬তম গ্রেডের ৪টি পদে ৮ জনকে নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে। আবেদন শুরু হয়েছে ৩ আগস্ট সকাল ১০টায়, চলবে ২ সেপ্টেম্বর বিকেল ৫টা পর্যন্ত। আগ্রহী প্রার্থীরা নির্ধারিত সময়সীমার মধ্যে আবেদন করতে পারবেন। টেলিটক সিমের মাধ্যমে আবেদন ফি পরিশোধ করতে হবে।

    এক নজরে বাংলাদেশ পরমাণু কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউটের (বিনা) নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি ২০২৬
    পদের বিবরণ

    আবেদন করার নিয়ম ও গুরুত্বপূর্ণ তথ্য

    • আবেদন শুরু: ৩ আগস্ট ২০২৬ তারিখ সকাল ১০টা
    • আবেদনের শেষ তারিখ: ২ সেপ্টেম্বর ২০২৬ তারিখ বিকেল ৫টা পর্যন্ত
    • আবেদন পদ্ধতি: অনলাইনে
    • চাকরির ধরন: স্থায়ী অথবা অস্থায়ী
    • প্রার্থীর ধরন: নারী-পুরুষ
    • কর্মস্থল: ময়মনসিংহ
    • বয়স: ১ আগস্ট ২০২৬ তারিখ ১৮ – ৩২ বছর। বয়স প্রমাণের ক্ষেত্রে কোনো প্রকার এফিডেভিট গ্রহনযোগ্য হবে না।

    আবেদনের নিয়ম: আগ্রহী প্রার্থীরা আবেদন করতে ও বিস্তারিত বিজ্ঞপ্তিটি দেখতে এখানে ক্লিক করুন বাংলাদেশ পরমাণু কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট (বিনা)। আবেদনের সঙ্গে ৩০০-৩০০ সাইজের ছবি ও ৩০০-৮০ সাইজের স্বাক্ষর স্ক্যান করে যুক্ত করতে হবে। নির্ধারিত সময়ের পরে এবং অসম্পূর্ণ আবেদনপত্র গ্রহণযোগ্য হবে না।

    আবেদন ফি: টেলিটক সিমের মাধ্যমে পরীক্ষার ফি বাবদ প্রতিটি পদের জন্য ১১২ টাকা অফেরতযোগ্য হিসেবে ৭২ ঘণ্টার মধ্যে পাঠাতে হবে।

    এমআইএইচ

    পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল bdinf লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।

  • ১০০ বিলিয়ন ডলারের পোশাক রপ্তানিতে ৩০% মূল্য সংযোজন করতে চায় বিজিএমইএ

    ১০০ বিলিয়ন ডলারের পোশাক রপ্তানিতে ৩০% মূল্য সংযোজন করতে চায় বিজিএমইএ


    বাংলাদেশ পোশাক প্রস্তুত ও রপ্তানিকারক সমিতির (বিজিএমইএ) সভাপতি মাহমুদ হাসান খান বলেছেন, আমরা তৈরি পোশাক রপ্তানি করে ১০০ বিলিয়ন ডলার আয় করতে চাই। তবে শুধু রপ্তানির পরিমাণ বাড়ানো নয়, অন্তত ২০ থেকে ৩০ বিলিয়ন ডলারের মূল্য সংযোজন নিশ্চিত করেই সেই লক্ষ্যে পৌঁছাতে চাই।

    তিনি বলেন, এ লক্ষ্য অর্জনে শক্তিশালী স্পিনিং ও টেক্সটাইল খাত গড়ে তোলা অপরিহার্য। একটি শক্তিশালী ব্যাকওয়ার্ড লিংকেজ গড়ে তুলতে স্পিনিং ও টেক্সটাইল শিল্পের সক্ষমতা বাড়ানোর ওপর জোর দিয়ে টেক্সটাইল খাতের সঙ্গে একত্রে কাজ করবে বিজিএমইএ।

    মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) রাজধানীর গুলশান ক্লাবে বাংলাদেশ টেক্সটাইল মিলস অ্যাসোসিয়েশন (বিটিএমএ) ও বিজিএমইএ’ র মধ্যে ‘বাংলাদেশ ইন্টারন্যাশনাল টেক্সটাইল অ্যান্ড অ্যাপারেল মেশিনারি এক্সিবিশন (বিটমা)’ নামে একটি আন্তর্জাতিক প্রদর্শনী আয়োজনের লক্ষ্যে সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) সই অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন মাহমুদ হাসান খান।

    অনুষ্ঠানে নিজ নিজ সংগঠনের পক্ষে এমওইউতে সই করেন বিটিএমএ সভাপতি শওকত আজিজ রাসেল এবং বিজিএমইএ সভাপতি মাহমুদ হাসান খান।

    মাহমুদ হাসান খান বলেন, বাংলাদেশের পোশাক খাত ১০০ বিলিয়ন ডলারের রপ্তানি লক্ষ্যে যেতে চায়। তবে শুধু রপ্তানির পরিমাণ বাড়ালেই হবে না, এর সঙ্গে পর্যাপ্ত মূল্য সংযোজন নিশ্চিত করতে হবে। ১০০ বিলিয়ন ডলার রপ্তানির বিপরীতে যদি মূল্য সংযোজন মাত্র ৫ বিলিয়ন ডলার হয়, তাহলে সেই লক্ষ্য অর্জন যথেষ্ট হবে না। মূল্য সংযোজন কমপক্ষে ২০ বিলিয়ন থেকে ৩০ বিলিয়ন ডলারে উন্নীত করতে হবে। আর এ লক্ষ্য অর্জনে শক্তিশালী ব্যাকওয়ার্ড লিংকেজ হিসেবে স্পিনিং ও টেক্সটাইল খাতের সহযোগিতা অপরিহার্য।

    তিনি বলেন, টেক্সটাইল খাতের সহায়তা ছাড়া ব্যাকওয়ার্ড লিংকেজ শক্তিশালী করা সম্ভব নয়। দুই সংগঠনের মধ্যে মতপার্থক্য রয়েছে এবং ভবিষ্যতেও থাকতে পারে, কারণ দুটি ভিন্ন সংগঠন। তবে এসব মতপার্থক্য আলোচনার মাধ্যমে সমাধান করে একসঙ্গে এগিয়ে যাওয়াই তাদের লক্ষ্য।

    বিজিএমইএ সভাপতি বলেন, এই মেলাকে কেন্দ্র করে বিটিএমএ সভাপতি ও সাবেক নেতাদের সঙ্গে নিয়ে একটি বড় লক্ষ্যে এগিয়ে যেতে চান তারা। যারা বাংলাদেশে মেশিন বিক্রি করতে চান, তাদের দায়িত্ব শুধু মেশিন বিক্রির মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখা যাবে না। তাদের বাংলাদেশে টেক্সটাইল খাতের প্রয়োজনীয় স্পেয়ার পার্টস উৎপাদনে বিনিয়োগে উৎসাহিত করা হবে।

    বিটিএমএ সভাপতি শওকত আজিজ রাসেল বলেন, দেশের বস্ত্র ও পোশাক খাতকে আরও শক্তিশালী করতে বিটিএমএ ও বিজিএমইএ যৌথভাবে কাজ করছে। গত এক দশকের এই সহযোগিতা শিল্পের ধারাবাহিক সাফল্যে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে।

    তিনি বলেন, আধুনিক টেক্সটাইল প্রযুক্তি ও যন্ত্রপাতি দেশীয় উদ্যোক্তাদের সামনে তুলে ধরতেই এ ধরনের আন্তর্জাতিক প্রদর্শনীর আয়োজন করা হয়। আগে এসব প্রযুক্তি দেখতে ইতালির আইটিএমএ প্রদর্শনীতে যেতে হলেও এখন সেই সুযোগ দেশেই তৈরি হয়েছে।

    তিনি আরও জানান, বিটিএমএ ও বিজিএমইএ যৌথভাবে নতুন একটি প্রদর্শনীর আয়োজনের উদ্যোগ নিয়েছে, যার নাম বিটমা (বিআইটিএমএ)। এ আয়োজনের জন্য ডোমেইন নিবন্ধন সম্পন্ন হয়েছে এবং দুই সংগঠনের মধ্যে সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) সইয়ের মাধ্যমে আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম শুরু হবে।

    মাহমুদ হাসান খান বলেন, ইয়ার্ন ম্যানুফ্যাকচারার বা সুতা উৎপাদনকারীদের সঙ্গে পোশাক শিল্প উদ্যোক্তাদের মাঝে মাঝে মতবিরোধ তৈরি হয়। সুতার দাম বেড়ে গেলে অনেক স্পিনিং মিল পারচেজ অর্ডার (পিআই) বাতিল করে দেয়। আবার সুতার দাম কমে গেলে অনেক পোশাক কারখানা পিআই নেওয়ার পরও এলসি খোলে না। এ ধরনের সমস্যার সমাধানে একটি যৌথ আরবিট্রেশন সেল গঠন করা যেতে পারে, যাতে উভয় পক্ষের সম্মত চুক্তি কেউ অমান্য করতে না পারে।

    তিনি আরও বলেন, বিটিএমএ ও বিজিএমইএ এরই মধ্যে বিভিন্ন বিষয়ে সফলভাবে একসঙ্গে কাজ করছে। এর মধ্যে অন্যতম হলো বাংলাদেশ ন্যাশনাল বিল্ডিং কোড নিয়ে যৌথ উদ্যোগ।

    মাহমুদ হাসান খান বলেন, দেশের অর্থনীতি, বস্ত্র ও পোশাক খাতের স্বার্থে এবং শিল্পকে আরও এগিয়ে নিতে আগামী দিনেও বিটিএমএ ও বিজিএমইএ একসঙ্গে কাজ করবে।

    আইএইচও/এমএমকে

    পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল bdinf লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।

  • ‎ফরিদপুরে স্কুলছাত্রীকে যৌন হয়রানি, প্রতিবেশীর ৫ বছরের কারাদণ্ড

    ‎ফরিদপুরে স্কুলছাত্রীকে যৌন হয়রানি, প্রতিবেশীর ৫ বছরের কারাদণ্ড


    ‎ফরিদপুরের বোয়ালমারীতে ১১ বছর বয়সী এক স্কুলছাত্রীকে যৌন নিপীড়নের দায়ে প্রতিবেশী হাফিজুর রহমান মোল্লা (৫১) নামে এক ব্যক্তিকে পাঁচ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তাকে ২০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড, অনাদায়ে আরও ছয় মাসের কারাদণ্ডের আদেশ দেওয়া হয়েছে।

    ‎মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) দুপুর আড়াইটার দিকে ফরিদপুরের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক (জেলা ও দায়রা জজ) শামীমা পারভীন এ রায় ঘোষণা করেন। দণ্ডপ্রাপ্ত হাফিজুর রহমান মোল্লা বোয়ালমারী উপজেলার সূর্য্যক মধ্যপাড়া গ্রামের মৃত বাবুল মোল্লার ছেলে।‎

    ‎মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, ২০২২ সালের ১৫ মে দুপুরে ভুক্তভোগী শিশুটির মা ও বড় বোন এক অসুস্থ আত্মীয়কে দেখতে আলফাডাঙ্গা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে যান। এ সময় বাড়িতে একা ছিল পঞ্চম শ্রেণির ছাত্রী ওই শিশু। গোসল শেষে নিজ কক্ষে কাপড় পরিবর্তনের সময় প্রতিবেশী হাফিজুর রহমান মোল্লা ঘরে ঢুকে শিশুটিকে জোরপূর্বক ধরে যৌন নিপীড়ন করে। শিশুটি চিৎকার শুরু করলে অভিযুক্ত তার মুখ চেপে ধরে বিষয়টি কাউকে না বলার জন্য ৩০০ টাকা দেওয়ার প্রস্তাব দেয়। এক পর্যায়ে শিশুটি তার হাত থেকে নিজেকে ছাড়িয়ে চিৎকার করলে অভিযুক্ত পালিয়ে যায়। পরে শিশুটির মা ও বড় বোন বাড়ি ফিরে তার কাছ থেকে ঘটনার বিস্তারিত জানতে পারেন। এরপর স্বজনদের সঙ্গে আলোচনা করে বোয়ালমারী থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়। তদন্ত শেষে পুলিশ আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করে।‎

    বিষয়টির সত্যতা নিশ্চিত করে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের পিপি গোলাম রব্বানী ভুঁইয়া বলেন, মামলার বিচার শেষে সাক্ষ্য-প্রমাণে অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় আদালত হাফিজুর রহমান মোল্লাকে শিশু যৌন নিপীড়নের দায়ে দোষী সাব্যস্ত করে পাঁচ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড, ২০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড এবং অর্থদণ্ড অনাদায়ে আরও ছয় মাসের কারাদণ্ডের আদেশ দেন।

    এন কে বি নয়ন/কেএইচকে/জেআইএম

    পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল bdinf লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।

  • ডিসেম্বরের মধ্যে কৃষকের পূর্ণাঙ্গ তালিকা তৈরির নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

    ডিসেম্বরের মধ্যে কৃষকের পূর্ণাঙ্গ তালিকা তৈরির নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর


    আগামী ডিসেম্বরের মধ্যে দেশের কৃষকদের পূর্ণাঙ্গ তালিকা নির্ভুল ও স্বচ্ছভাবে প্রণয়নের নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি বলেছেন, কৃষকের অধিকার নিশ্চিত করতে যাচাই-বাছাইয়ের মাধ্যমে এ কার্যক্রম বাস্তবায়ন করতে হবে।

    মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) সচিবালয়ের মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে কৃষক কার্ড সংক্রান্ত এক সভায় তিনি এ নির্দেশনা দেন। প্রধানমন্ত্রীর ডেপুটি প্রেস সেক্রেটারি হাসান শিপলু এ তথ্য জানিয়েছেন।

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, ছবি ও কিউআর কোড–সম্বলিত কৃষক কার্ডে কৃষকের পরিচয়ের পাশাপাশি কৃষি উৎপাদন, সরকারি সহায়তা এবং কৃষি বাজার সংক্রান্ত বিভিন্ন তথ্য সংরক্ষিত থাকতে হবে। এ বিষয়টি বিবেচনায় রেখে কার্ড তৈরির জন্য সংশ্লিষ্টদের নির্দেশনা দেন তিনি।

    সভায় জানানো হয়, কৃষকদের ব্যাংক হিসাব খোলার কার্যক্রম এরই মধ্যে শুরু হয়েছে। প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি সম্পন্ন করে পর্যায়ক্রমে কৃষকদের হাতে কৃষক কার্ড তুলে দেওয়া হবে।

    কৃষি খাতে সরকারের দেওয়া ভর্তুকি, সহজ শর্তের ঋণ, প্রণোদনা এবং অন্যান্য সরকারি সুবিধা প্রকৃত কৃষকের কাছে দ্রুত ও সহজে পৌঁছে দিতে কৃষক কার্ড চালু করা হয়েছে। চলতি অর্থবছরে ৪৩ লাখ কৃষক এ কার্ডের সুবিধা পাবেন। পরবর্তী তিন বছরের মধ্যে দেশের কম-বেশি দুই কোটি কৃষককে এ কর্মসূচির আওতায় আনার পরিকল্পনা রয়েছে।

    সভায় কৃষি এবং মৎস্য ও প্রাণিসম্পদমন্ত্রী আমিন উর রশিদ, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু, স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম, প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা মাহদী আমিন, প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব এ বি এম আব্দুস সাত্তার, প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী শাকিরুল ইসলাম খান, বিএনপির বিশেষ সম্পাদক বেলায়েত হোসেন, বাংলাদেশ দুগ্ধ উৎপাদনকারী সমবায় ইউনিয়ন লিমিটেডের সভাপতি এস এম আমীর হামজা শাতিলসহ সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও বিভাগের সচিব এবং ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

    কেএইচ/এমকেআর

    পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল bdinf লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।

  • কেজিতে ১০০ টাকা কমেছে কাঁচামরিচের দাম

    কেজিতে ১০০ টাকা কমেছে কাঁচামরিচের দাম

    রংপুরে সপ্তাহের ব্যবধানে ১০০ টাকা কমেছে কাঁচামরিচের দাম। সেইসঙ্গে কিছু সবজির দাম কমেছে। তবে সামান্য দাম বেড়েছে পোলট্রি মুরগির দাম। ডিমসহ চাল, ডাল, মাছ ও মাংসের দাম।

    মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) নগরীর বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা যায়, প্রতিকেজি কাঁচামরিচ বিক্রি হচ্ছে ২২০-২৪০ টাকা, যা গত সপ্তাহে ছিল ৩০০-৩২০ টাকা। পেঁয়াজের দামও ৫০-৫৫ টাকা থেকে কমে ৪৫-৫০ টাকা বিক্রি হচ্ছে।

    সবজির বাজার ঘুরে দেখা যায়, টমেটো গত সপ্তাহের তুলনায় ১৫০-১৬০ টাকা থেকে কমে ১৪০-১৫০ টাকা, গাজর ১৫০-১৬০ টাকা থেকে কমে ১৪০-১৫০ টাকা, কাকরোল ৬০-৭০ টাকা, ঝিঙে ৬০-৭০ টাকা থেকে কমে ৫৫-৬০ টাকা, চালকুমড়া গত সপ্তাহের চেয়ে দাম বেড়ে (আকারভেদে) ৫৫-৬০ টাকা, কাঁচকলা হালি ৩০-৩৫ টাকা, দুধকুষি ৬০-৭০ টাকা থেকে কমে ৪৫-৫০ টাকা, সজনে ২২০-২৪০ টাকা থেকে বেড়ে ২৪০-২৬০ টাকা, শসা ৬০-৭০ টাকা থেকে কমে ৪০-৫০ টাকা, লেবুর হালি আগের মতো ১০-১৫ টাকা, চিকন বেগুন ৯০-১০০ টাকা থেকে কমে ৬০-৭০ টাকা, গোল বেগুন ১২০-১৩০ টাকা থেকে কমে ৯০-১০০ টাকা, পটোল ৬০-৭০ টাকা থেকে কমে ৫০-৬০ টাকা, ঢ্যাঁড়শ ৬০-৭০ টাকা থেকে কমে ৫০-৬০ টাকা, পেঁপে গত সপ্তাহের মতোই ২৫-৩০ টাকা, বরবটি ৭০-৮০ টাকা, করলা ৯০-১০০ টাকা থেকে কমে ৭০-৮০ টাকা, লাউ (আকারভেদে) ৫০-৬০ টাকা থেকে কমে ৪০-৫০ টাকা, কচুর লতি ৭০-৮০ টাকা থেকে কমে ৬০-৭০ টাকা, কচুরমুখী আগের মতো ৫০-৬০ টাকা, প্রতিকেজি ধনেপাতা ১৩০-১৫০ টাকা থেকে কমে ৮০-৯০ টাকা, রকমভেদে শাকের আঁটি ১৫-২৫ টাকা, মিষ্টিকুমড়া ৪৫-৫০ টাকা, শুকনো মরিচ আগের মতোই ৪৫০-৫০০ টাকা, কার্ডিনাল আলু গত সপ্তাহের মতোই ২২-২৫ টাকা, সাদা আলু গত সপ্তাহের মতোই ৩০-৩৫ টাকা, বগুড়ার লাল পাকড়ি আলু ৩০-৩৫ টাকা, শিল আলু ৪৫-৫০ টাকা এবং ঝাউ আলু ৪০-৫০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

    দেশি আদা গত সপ্তাহের মতোই ২২০-২৪০ টাকা, আমদানি করা আদা ১৬০-১৮০ টাকা, দেশি রসুন আগের মতো ১০০-১২০ টাকা এবং ভারতীয় রসুন ১৬০-১৮০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

    ধাপ বাজারের সবজি বিক্রেতা কবির হোসেন জাগো নিউজকে বলেন, ‘গত কয়েকদিন বৃষ্টির কারণে সবজির আমদানি কমে এসেছিল। এখন আমদানি স্বাভাবিক হতে শুরু করেছে, এজন্য দামও কমেছে। গতকাল কাঁচামরিচ বাইরে থেকে আমদানি শুরু হয়েছে। এজন্য গতরাত থেকে দাম কমেছে। ১০০ টাকা কমে বিক্রি হচ্ছে কাঁচামরিচ।’

    মুরগির বাজার ঘুরে দেখা যায়, ব্রয়লার মুরগি গত সপ্তাহের তুলনায় সামান্য বেড়ে মতোই ১৮০-২০০ টাকা, পাকিস্তানি সোনালি মুরগিও ১০ টাকা বেড়ে ৩২০-৩৩০ টাকা, পাকিস্তানি হাইব্রিড জাতের মুরগি ২৮০-৩০০ টাকা, পাকিস্তানি লেয়ার ৩২০-৩৩০ টাকা থেকে বেড়ে ৩৩০-৩৫০ টাকা এবং দেশি মুরগি গত সপ্তাহের মতোই ৫৫০-৫৭০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

    মুলাটোল আমতলা বাজারের মুরগি বিক্রেতা আল আমিন বলেন, ‘সাধারণত মাসের প্রথম সপ্তাহে মুরগির চাহিদা বেড়ে যায়। সেই তুলনায় সরবরাহ কম থাকলে দাম বাড়ে। তবে এই সপ্তাহে খুব একটা দাম বাড়েনি। যেটুকু বেড়েছে তা সামান্য।’

    খোঁজ নিয়ে জানা যায়, খুচরা বাজারে পোলট্রি মুরগির লাল ডিমের হালি বিক্রি হচ্ছে গত সপ্তাহের মতোই ৪৪-৪৫ টাকা। এছাড়া বাজারে গরুর মাংস ৭২০-৭৫০ টাকা এবং খাসির মাংস ১০০০-১১০০ টাকা অপরিবর্তিত রয়েছে।

    খুচরা বাজারে এক লিটার বোতলজাত সয়াবিন তেল ২০০-২০৫ টাকা এবং খোলা সয়াবিন তেল ২০০-২২০ টাকা, মসুর ডাল (চিকন) গত সপ্তাহের মতোই ১৬০-১৮০ টাকা, মাঝারি ১০০-১১০ টাকা, মুগডাল ১৫০-১৬০ টাকা থেকে বেড়ে ১৬০-১৭০ টাকা, বুটের ডাল ১১০-১২০ টাকা, খোলা চিনি ১০৫-১১০ টাকা, ছোলাবুট ৯০-১০০ টাকা, প্যাকেট আটা ৫৫-৬০ টাকা, খোলা আটা ৪০-৪৫ টাকা এবং প্যাকেট ময়দা ৬৫-৭০ টাকা থেকে বেড়ে ৭০-৭৫ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

    চালের বাজার ঘুরে দেখা যায়, গত সপ্তাহের মতোই স্বর্ণা (মোটা) ৪৮-৫০ টাকা, স্বর্ণা (চিকন) ৫৫-৫৮ টাকা, বিআর২৮- ৬০-৬৫ টাকা, বিআর২৯- ৫৫-৬০ টাকা, জিরাশাইল ৫০-৬০ টাকা, মিনিকেট এবং নাজিরশাইল ৮০-৮৫ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

    মাছের বাজার ঘুরে দেখা যায়, আকারভেদে রুইমাছ ৩০০-৩৮০ টাকা, ট্যাংরা ৪০০-৫৬০, পাবদা ৩৫০-৪০০ টাকা, মৃগেল ২২০-২৫০ টাকা, কারপিও ২৫০-২৬০ টাকা, পাঙাশ ১৫০-২৫০ টাকা, তেলাপিয়া ২০০-২৫০, কাতল ৩০০-৫০০ টাকা, বাটা ১৮০-২৪০ টাকা, শিং ৩০০-৪০০ টাকা, সিলভার কার্প ১৮০-২৬০ টাকা এবং গছিমাছ ৮০০-১২০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।