পঞ্চগড়ে জমি নিয়ে বিরোধের জেরে মাহামুদ আলম প্রধান নামের সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষককে গাছে বেঁধে নির্যাতনের অভিযোগ উঠেছে।
সোমবার (৩ আগস্ট) দুপুরে উপজেলা সদরের মাগুড়া প্রধানপাড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। ঘটনাটির ভিডিও বুধবার (৫ আগস্ট) সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে।
নির্যাতনের শিকার মাহামুদ আলম পঞ্চগড় সদর উপজেলার ৭১ নম্বর গড়িনাবাড়ী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক। এ ঘটনায় ১২ জনকে আসামি করে পঞ্চগড় সদর থানায় একটি মামলা করেছেন তিনি।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, ওই এলাকার সফিজুল, নুর ইসলাম, বাবুসহ তাদের পরিবারের সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে জমি নিয়ে বিরোধ চলছিল। সেই বিরোধের জেরে পরিকল্পিতভাবে বাড়ির ফেরার সময় কয়েকজন লাঠিসোঁটা ও দেশীয় অস্ত্র নিয়ে তার ওপর হামলা চালান। একপর্যায়ে তাকে একটি কাঁঠাল গাছের সঙ্গে রশি দিয়ে বেঁধে নির্যাতন করা হয়।
এসময় তার স্কুলব্যাগে থাকা নগদ এক লাখ ৫০ হাজার টাকা নিয়ে নেওয়া হয় বলেও এজাহারে অভিযোগ করা হয়েছে। খবর পেয়ে সদর থানা পুলিশের একটি দল তাকে উদ্ধার করে।
শিক্ষক মাহামুদ আলম প্রধান বলেন, ‘ভিডিওতে সবাই দেখেছেন আমাকে কীভাবে গাছে বেঁধে রাখা হয়েছিল। আমি এ ঘটনার সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক বিচার চাই।’
এ ঘটনায় অভিযুক্ত কারও বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তবে ওই পরিবারের আনসার আলী নামের একজন মোবাইলফোনে বলেন, ‘আমি ঘটনার সময় ছিলাম না। পরে বাড়িতে এসে বিষয়টি জানতে পারি।’
মাগুরা ইউপি চেয়ারম্যান জ্যোতিষ চন্দ্র রায় বলেন, ‘ফোনে ঘটনাটি জানার পর গ্রাম পুলিশকে তাকে উদ্ধারের জন্য পাঠাই। তবে এরই মধ্যে খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে তাকে উদ্ধার করে।’
সদর থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোখলেছুর রহমান বলেন, এ ঘটনায় ভুক্তভোগী শিক্ষক অভিযোগ দিয়েছেন। বিষয়টি তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
সফিকুল আলম/এসআর/জেআইএম

Leave a Reply