সুপ্রিম কোর্ট ভবনের উঁচু সাদা গম্বুজের নিচে প্রতিদিন চলছে বিচারকাজ। উচ্চ আদালতের বিচার শুরুর আগে বেঞ্চ বসে, শুনানি হয়, রায় আসে। সেই বিচারিক কাঠামোর ভেতরেই এক বিচারপতি প্রায় দুই বছর ধরে কার্যত নিষ্ক্রিয় অবস্থায় রয়েছেন। তিনি বিচারপতি শেখ হাসান আরিফ।
শেখ হাসান আরিফ ২০১০ সালে শেখ হাসিনার সরকারের দ্বিতীয় মেয়াদে হাইকোর্ট বিভাগের বিচারপতি হিসেবে নিয়োগ পান। এরপর এক দশকের বেশি সময় তিনি বিচারিক দায়িত্ব পালন করেছেন।
তবে ২০২৪ সালের ১৬ অক্টোবরের পর আর কোনো বেঞ্চে বসেননি বিচারপতি শেখ হাসান আরিফ। অংশ নেননি কোনো মামলার শুনানিতে, রায়ও দেননি। তবুও তিনি পদে বহাল। এখনো বিচারপতির সব সাংবিধানিক সুবিধা ভোগ করছেন। পাচ্ছেন বেতন-ভাতা, রাষ্ট্রীয় প্রটোকল এবং অন্যান্য সরকারি সুযোগ-সুবিধা।
সুপ্রিম কোর্টের করিডরে তার নাম এখনো বহাল রয়েছে, কিন্তু বিচারিক কার্যক্রমে তার উপস্থিতি নেই। অভিযোগের মুখে তাকে বিচারকাজ থেকে সরিয়ে রাখা হলেও দেড় বছর পরও তার বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক তদন্তই শুরু হয়নি।
বাংলাদেশের বিচার বিভাগের সাম্প্রতিক ইতিহাসে এই পরিস্থিতি এক অস্বস্তিকর প্রশ্ন ছুঁড়ে দিয়েছে। অভিযোগের মুখে একজন বিচারপতিকে কার্যত বিচারকাজ থেকে সরিয়ে রাখা হলেও দেড় বছরের বেশি সময় পার হওয়ার পরও কেন তার বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক তদন্ত শুরু হয়নি?
আইনজীবীদের অভিযোগ, ছাত্র-জনতার বিক্ষোভ এবং বিচার বিভাগে রাজনৈতিক আনুগত্য ও দুর্নীতির প্রশ্ন সামনে আসার পর ২০২৪ সালের ১৬ অক্টোবর তৎকালীন প্রধান বিচারপতি সৈয়দ রেফাত আহমেদ বিচারপতি শেখ হাসান আরিফসহ ১২ জন বিচারপতিকে বিচারকাজ থেকে বিরত রাখেন। অভিযোগ ছিল- তারা ‘দুর্নীতিবাজ’, ‘দলবাজ’ এবং ‘ফ্যাসিবাদের দোসর’।
বিচারপতি শেখ হাসান আরিফের বিরুদ্ধে আরও অভিযোগ ওঠে, গণ-অভ্যুত্থান চলাকালে তিনি শিক্ষার্থীদের ‘টোকাই’ বলে উল্লেখ করে ফেসবুকে পোস্ট করেছিলেন। কিন্তু এরপর কেটে গেছে দেড় বছরের বেশি সময়। সুপ্রিম জুডিশিয়াল কাউন্সিল এখনো বিচারপতি আরিফের বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক তদন্ত শুরু করেনি।
যদিও কাউন্সিলের তদন্তের কোনো আইনগত সময়সীমা নির্ধারিত নেই, তবুও এত দীর্ঘসময় ধরে তদন্ত প্রক্রিয়া না থাকা কিংবা কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে না পৌঁছানো বিচারিক কাঠামোর ধীরগতি হিসেবে দেখছেন আইনজীবীরা।
এ বিষয়ে সুপ্রিম কোর্টের রেজিস্ট্রার জেনারেল মুহাম্মদ হাবিবুর রহমান সিদ্দিকী জাগো নিউজকে বলেন, ‘বিচারপতি শেখ হাসান আরিফের বিষয়ে সুপ্রিম জুডিশিয়াল কাউন্সিলে তদন্ত বা অন্য কোনো প্রক্রিয়া শুরু হয়নি। এছাড়া তার ব্যাপারে কাউন্সিলের কোনো আপডেট সিদ্ধান্ত আমার কাছে নেই।’
সংশ্লিষ্টরা বলছেন, হয়তো তার বিষয়ে কাউন্সিল শিগগির সিদ্ধান্ত জানাবে। এদিকে এই দীর্ঘ অনিশ্চয়তা বাংলাদেশের বিচার বিভাগের জবাবদিহি ব্যবস্থা নিয়ে নতুন প্রশ্ন তুলেছে। একজন বিচারপতিকে কার্যত বিচারকাজ থেকে সরিয়ে রাখা হলেও তার বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু না হওয়া কিংবা কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে না পৌঁছানো বিচারিক কাঠামোর ধীরগতি হিসেবে দেখছেন আইনজীবীরা।
তারা বলছেন, একজন বিচারপতিকে অনির্দিষ্ট সময়ের জন্য কার্যত নিষ্ক্রিয় অবস্থায় রেখে দেওয়া বিচারিক স্বচ্ছতা ও প্রাতিষ্ঠানিক জবাবদিহির সঙ্গে সাংঘর্ষিক। তাদের মতে, অভিযোগের সত্যতা থাকলে দ্রুত তদন্ত ও সিদ্ধান্ত প্রয়োজন, আর অভিযোগের বিষয়ে কোনো প্রমাণ না পেলে বিচারকাজে প্রত্যাবর্তনের সুযোগ থাকা উচিত।
গণ-অভ্যুত্থানের পর বিচার বিভাগে অস্থিরতা
২০২৪ সালের জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের পর ৫ আগস্ট শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর সুপ্রিম কোর্টে বিচারপতিদের ভূমিকা নিয়ে নজিরবিহীন বিতর্ক শুরু হয়। বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন ও আইনজীবীদের একাধিক সংগঠন ‘দলবাজ’, ‘দুর্নীতিবাজ’ ও ‘ফ্যাসিবাদের দোসর’ বিচারপতিদের পদত্যাগের দাবি তোলে। আন্দোলনের মুখে ওই বছরের ১০ আগস্ট তখনকার প্রধান বিচারপতিসহ আপিল বিভাগের ছয় বিচারপতি পদত্যাগ করেন।
একজন বিচারপতির বিরুদ্ধে উত্থাপিত অভিযোগের তদন্ত না করে বিষয়টিকে এতটা সময় বিনাবিচারে রাখা বিচার বিভাগের ইতিহাসে একটি অনাকাঙ্ক্ষিত দৃষ্টান্ত তৈরি করছে। কাজ না করেও রাষ্ট্রীয় কোষাগারের বেতন-ভাতা ও সুযোগ-সুবিধা গ্রহণের ক্ষেত্র তৈরি হয়েছে। ন্যায়বিচারের স্বার্থেই অভিযোগের তদন্ত হওয়া উচিত।- সৈয়দ মামুন মাহবুব, সিনিয়র আইনজীবী, সুপ্রিম কোর্ট
একই দাবিতে ১৬ অক্টোবর হাইকোর্ট ঘেরাও এবং বিক্ষোভ করে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন, জাতীয় নাগরিক কমিটির আইনজীবী শাখা ও বৈষম্যবিরোধী আইনজীবী সমাজ।
ওইদিন বিক্ষোভের মধ্যে বিচারপতি আরিফসহ হাইকোর্টের ১২ বিচারপতিকে চায়ের দাওয়াত দেয় কর্তৃপক্ষ। এরপর তাদের বেঞ্চ না দেওয়ার সিদ্ধান্তের কথা জানায় সুপ্রিম কোর্ট প্রশাসন। এরপর থেকে ধাপে ধাপে কয়েকজন বিচারপতি পদত্যাগ করেন, কেউ অপসারিত হন, আবার কেউ এখনো বিচারকাজের বাইরে রয়েছেন।
২০২৪ সালের আগস্টের পর থেকে সুপ্রিম কোর্ট থেকে সরে যাওয়া বা অপসারিত বিচারপতিদের মধ্যে রয়েছেন- বিচারপতি মো. রেজাউল হাসান, বিচারপতি মামনুন রহমান, বিচারপতি নাইমা হায়দার, বিচারপতি মুহাম্মদ খুরশীদ আলম সরকার, বিচারপতি মো. আখতারুজ্জামান, বিচারপতি শাহেদ নূরউদ্দিন, বিচারপতি মো. আমিনুল ইসলাম, বিচারপতি এস এম মাসুদ হোসেন দোলন, বিচারপতি মো. আতাউর রহমান খান, বিচারপতি আশীষ রঞ্জন দাস, বিচারপতি খিজির হায়াত এবং বিচারপতি খোন্দকার দিলীরুজ্জামান।
তবে, কোনো অভিযোগের সত্যতা না পাওয়ায় বিচারপতি এস এম মনিরুজ্জামানকে গত এপ্রিলে বিচারকাজে ফেরানো হয়েছে। কিন্তু বিচারপতি শেখ হাসান আরিফের ক্ষেত্রে অনিশ্চয়তা এখনো কাটেনি। বাংলাদেশের সর্বোচ্চ আদালতের ভেতরে তিনি এখন এমন এক বিচারপতি, যিনি পদে আছেন, কিন্তু বিচারকাজে নেই; অভিযুক্ত, কিন্তু তদন্তাধীনও নন।
যা বলছেন আইনজীবীরা
সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী সমিতির সংবিধান সংরক্ষণ কমিটির সাধারণ সম্পাদক ও সুপ্রিম কোর্টের সিনিয়র আইনজীবী সৈয়দ মামুন মাহবুব জাগো নিউজকে বলেন, ‘একজন বিচারপতির বিরুদ্ধে উত্থাপিত অভিযোগের তদন্ত না করে বিষয়টিকে এতটা সময় বিনাবিচারে রাখা বিচার বিভাগের ইতিহাসে একটি অনাকাঙ্ক্ষিত দৃষ্টান্ত তৈরি করছে। কাজ না করেও রাষ্ট্রীয় কোষাগারের বেতন-ভাতা ও সুযোগ-সুবিধা গ্রহণের ক্ষেত্র তৈরি হয়েছে। ন্যায়বিচারের স্বার্থেই অভিযোগের তদন্ত হওয়া উচিত।’
বিচারককে তার কাজ থেকে সরিয়ে রাখার বিষয়ে সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির সম্পাদক ও সুপ্রিম কোর্টের অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ আলী জাগো নিউজকে বলেন, ‘একজন বিচারককে তার কাজ থেকে দূরে রাখা হয়েছে, সেটা প্রধান বিচারপতি এবং রাষ্ট্রীয় ব্যাপার।’
আমার কথা হলো বিচারককে যেহেতু কাজ থেকে দূরে রেখেছেন, তার বিরুদ্ধে কোনো লিখিত বা মৌখিক স্পেসিফিক অভিযোগ থাকলে তদন্ত করুন। সুপ্রিম জুডিশিয়াল কাউন্সিলের নিয়ম অনুযায়ী তার বিষয়ে তদন্ত করুণ। এরপর যদি তার কোনো দোষ-ত্রুটি পান, প্রমাণ করে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেন। আর যদি না পান তা হলে তার ব্যাপারে কী করবেন সেটাও জানিয়ে দেওয়া উচিত।- ব্যারিস্টার মো. সাইফুল আলম উজ্জল, আইনজীবী, সুপ্রিম কোর্ট
তিনি বলেন, ‘তাকে কেন ছুটিতে রাখা হয়েছে, কোনো ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে, নাকি বিচারকাজে ফিরিয়ে আনা হবে, সেটা কারো জানা নেই। তবে এ বিষয়ে সুপ্রিম জুডিশিয়াল কাউন্সিল সিদ্ধান্ত গ্রহণ করতে পারে। কিন্তু তার বিষয়ে কী ঘটবে সেটাও আমরা জানি না। তবে, এভাবে স্ব-বেতনে বিচারকদের ছুটিতে রাখা অতীতেও ছিল।’
সিনিয়র আইনজীবী সৈয়দ মামুন মাহবুব বলেন, ‘প্রায় ছয়-সাত বছর দুজন বিচারকে বেতন-ভাতা এবং সরকারের সব সুযোগ-সুবিধা দিয়ে বিচারিক কাজ থেকে দূরে রাখা হয়েছিল। তবে, সুপ্রিম জুডিশিয়াল কাউন্সিলে যদি ওনার (বিচারপতি শেখ হাসান আরিফ) বিষয়ে কোনো অভিযোগ থেকে থাকে, ওনারা কী সিদ্ধান্ত নেন তা আমাদের জানা নেই। আর এ বিষয়ে আমি কোনো মন্তব্যও করতে চাই না।’
কোনো পদক্ষেপ ছাড়া হাইকোর্ট বিভাগের বিচারককে কাজ থেকে দূরে রাখার বিষয়ে সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ব্যারিস্টার মো. সাইফুল আলম উজ্জল জাগো নিউজকে বলেন, ‘একজন বিচারককে তার কাজ থেকে দূরে রাখা কারো জন্য ঠিক না; রাষ্ট্রের জন্যও ঠিক না, আবার বিচারকের জন্যও ঠিক না। কোনো বিচারককে চায়ের দাওয়াত দিয়ে বিচারিক কাজ থেকে বিরত রাখাটা ঠিক না।’
সাইফুল আলম উজ্জল বলেন, ‘আমার কথা হলো বিচারককে যেহেতু কাজ থেকে দূরে রেখেছেন, তার বিরুদ্ধে কোনো লিখিত বা মৌখিক স্পেসিফিক অভিযোগ থাকলে তদন্ত করুন। সুপ্রিম জুডিশিয়াল কাউন্সিলের নিয়ম অনুযায়ী তার বিষয়ে তদন্ত করুণ। এরপর যদি তার কোনো দোষ-ত্রুটি পান, প্রমাণ করে বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেন। আর যদি না পান তা হলে তার ব্যাপারে কী করবেন সেটাও জানিয়ে দেওয়া উচিত।’
তিনি বলেন ‘এখন ব্যাপার হচ্ছে রাষ্ট্র তাকে পালছে, তার দায়িত্ব পালন করা ছাড়াও তিনি আর্থিক বেনিফিট পাচ্ছেন। যেখানে প্রধানমন্ত্রী খরচ কমানোর জন্য ১৮ জন মন্ত্রীর প্রটোকল উঠিয়ে দিলেন, সেখানে আমরা যদি জাজদের বসিয়ে রেখে বেতন দেই, তাহলে তো সরকারের খরচ আরও বাড়ছে, কমছে না। এটার বিষয়ে খুব দ্রুত উদ্যোগ নেওয়া উচিত।’
‘তবে বিচারকের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়াটা কিন্তু সরকারের বিষয় না, এটা সুপ্রিম কোর্টের এবং সুপ্রিম জুডিশিয়াল কাউন্সিলের বিষয়। আর সে বিষয়ে উদ্যোগ গ্রহণের করার জন্য প্রধান বিচারপতিকে তাগিদ দিতে হবে।’
সুপ্রিম জুডিশিয়াল কাউন্সিলের প্রত্যাবর্তন
বাংলাদেশে উচ্চ আদালতের বিচারকদের অপসারণের সাংবিধানিক প্রক্রিয়া বারবার পরিবর্তিত হয়েছে। বাহাত্তরের সংবিধানে বিচারপতিদের অপসারণের ক্ষমতা ছিল সংসদের হাতে।
১৯৭৫ সালে সংবিধানের চতুর্থ সংশোধনীতে ৯৬(২) অনুচ্ছেদ সংশোধন করে বিচারপতিদের অপসারণের ক্ষমতা সরাসরি রাষ্ট্রপতির হাতে ন্যস্ত করা হয়। ১৯৭৭ সালে জিয়াউর রহমানের আমলে বিচারপতিদের অপসারণের ক্ষমতা সুপ্রিম জুডিশিয়াল কাউন্সিলের কাছে দেওয়া হয়।
এরপর তার সময়েই পঞ্চম সংশোধনীর মাধ্যমে এই বিধান সংবিধানে যুক্ত হয়। ২০১০ সালে আপিল বিভাগ পঞ্চম সংশোধনী অবৈধ ঘোষণা করলেও সুপ্রিম জুডিশিয়াল কাউন্সিলকে অনুমোদন দেওয়া হয়।
বিচারপতিদের অপসারণের ক্ষমতা জাতীয় সংসদের কাছে ফিরিয়ে দিয়ে ২০১৪ সালে সংবিধানের ষোড়শ সংশোধনী আনে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ সরকার।
পরে হাইকোর্ট ও আপিল বিভাগ ষোড়শ সংশোধনী অবৈধ ঘোষণা করে। ২০১৭ সালে রায় পুনর্বিবেচনা (রিভিউ) চেয়ে রাষ্ট্রপক্ষ আপিল বিভাগে আবেদন করলে ২০২৪ সালের ২০ অক্টোবর আদালত সেই আবেদন পর্যবেক্ষণসহ নিষ্পত্তি করে, যার মাধ্যমে সুপ্রিম জুডিশিয়াল কাউন্সিল পুনর্বহাল হয়।
এর ফলে কোনো বিচারকের বিরুদ্ধে দায়িত্ব পালনে অসমর্থ বা গুরুতর অসদাচরণের অভিযোগ উঠলে কাউন্সিলের মাধ্যমে তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া যায়। আর রাষ্ট্রপতির উদ্দেশে নিজের স্বাক্ষরযুক্ত পত্র দিয়ে কোনো বিচারক চাইলে পদত্যাগ করতে পারেন। প্রধান বিচারপতি এবং আপিল বিভাগের পরবর্তী জ্যেষ্ঠ দুই বিচারপতির সমন্বয়ে কাউন্সিল গঠিত হয়।
নিয়ম অনুযায়ী অভিযোগ প্রমাণিত হলে সুপ্রিম জুডিশিয়াল কাউন্সিল রাষ্ট্রপতির কাছে ওই বিচারপতিকে অপসারণ বা ব্যবস্থাগ্রহণের সুপারিশ করতে পারে। রাষ্ট্রপতি সেই সুপারিশ অনুযায়ী পদক্ষেপ নেন। কিন্তু বিচারপতি শেখ হাসান আরিফের ক্ষেত্রে এখন পর্যন্ত তদন্তই শুরু হয়নি।
এফএইচ/ইএ

Leave a Reply