কেজিতে ১০০ টাকা কমেছে কাঁচামরিচের দাম

Written by

in

রংপুরে সপ্তাহের ব্যবধানে ১০০ টাকা কমেছে কাঁচামরিচের দাম। সেইসঙ্গে কিছু সবজির দাম কমেছে। তবে সামান্য দাম বেড়েছে পোলট্রি মুরগির দাম। ডিমসহ চাল, ডাল, মাছ ও মাংসের দাম।

মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) নগরীর বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা যায়, প্রতিকেজি কাঁচামরিচ বিক্রি হচ্ছে ২২০-২৪০ টাকা, যা গত সপ্তাহে ছিল ৩০০-৩২০ টাকা। পেঁয়াজের দামও ৫০-৫৫ টাকা থেকে কমে ৪৫-৫০ টাকা বিক্রি হচ্ছে।

সবজির বাজার ঘুরে দেখা যায়, টমেটো গত সপ্তাহের তুলনায় ১৫০-১৬০ টাকা থেকে কমে ১৪০-১৫০ টাকা, গাজর ১৫০-১৬০ টাকা থেকে কমে ১৪০-১৫০ টাকা, কাকরোল ৬০-৭০ টাকা, ঝিঙে ৬০-৭০ টাকা থেকে কমে ৫৫-৬০ টাকা, চালকুমড়া গত সপ্তাহের চেয়ে দাম বেড়ে (আকারভেদে) ৫৫-৬০ টাকা, কাঁচকলা হালি ৩০-৩৫ টাকা, দুধকুষি ৬০-৭০ টাকা থেকে কমে ৪৫-৫০ টাকা, সজনে ২২০-২৪০ টাকা থেকে বেড়ে ২৪০-২৬০ টাকা, শসা ৬০-৭০ টাকা থেকে কমে ৪০-৫০ টাকা, লেবুর হালি আগের মতো ১০-১৫ টাকা, চিকন বেগুন ৯০-১০০ টাকা থেকে কমে ৬০-৭০ টাকা, গোল বেগুন ১২০-১৩০ টাকা থেকে কমে ৯০-১০০ টাকা, পটোল ৬০-৭০ টাকা থেকে কমে ৫০-৬০ টাকা, ঢ্যাঁড়শ ৬০-৭০ টাকা থেকে কমে ৫০-৬০ টাকা, পেঁপে গত সপ্তাহের মতোই ২৫-৩০ টাকা, বরবটি ৭০-৮০ টাকা, করলা ৯০-১০০ টাকা থেকে কমে ৭০-৮০ টাকা, লাউ (আকারভেদে) ৫০-৬০ টাকা থেকে কমে ৪০-৫০ টাকা, কচুর লতি ৭০-৮০ টাকা থেকে কমে ৬০-৭০ টাকা, কচুরমুখী আগের মতো ৫০-৬০ টাকা, প্রতিকেজি ধনেপাতা ১৩০-১৫০ টাকা থেকে কমে ৮০-৯০ টাকা, রকমভেদে শাকের আঁটি ১৫-২৫ টাকা, মিষ্টিকুমড়া ৪৫-৫০ টাকা, শুকনো মরিচ আগের মতোই ৪৫০-৫০০ টাকা, কার্ডিনাল আলু গত সপ্তাহের মতোই ২২-২৫ টাকা, সাদা আলু গত সপ্তাহের মতোই ৩০-৩৫ টাকা, বগুড়ার লাল পাকড়ি আলু ৩০-৩৫ টাকা, শিল আলু ৪৫-৫০ টাকা এবং ঝাউ আলু ৪০-৫০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

দেশি আদা গত সপ্তাহের মতোই ২২০-২৪০ টাকা, আমদানি করা আদা ১৬০-১৮০ টাকা, দেশি রসুন আগের মতো ১০০-১২০ টাকা এবং ভারতীয় রসুন ১৬০-১৮০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

ধাপ বাজারের সবজি বিক্রেতা কবির হোসেন জাগো নিউজকে বলেন, ‘গত কয়েকদিন বৃষ্টির কারণে সবজির আমদানি কমে এসেছিল। এখন আমদানি স্বাভাবিক হতে শুরু করেছে, এজন্য দামও কমেছে। গতকাল কাঁচামরিচ বাইরে থেকে আমদানি শুরু হয়েছে। এজন্য গতরাত থেকে দাম কমেছে। ১০০ টাকা কমে বিক্রি হচ্ছে কাঁচামরিচ।’

মুরগির বাজার ঘুরে দেখা যায়, ব্রয়লার মুরগি গত সপ্তাহের তুলনায় সামান্য বেড়ে মতোই ১৮০-২০০ টাকা, পাকিস্তানি সোনালি মুরগিও ১০ টাকা বেড়ে ৩২০-৩৩০ টাকা, পাকিস্তানি হাইব্রিড জাতের মুরগি ২৮০-৩০০ টাকা, পাকিস্তানি লেয়ার ৩২০-৩৩০ টাকা থেকে বেড়ে ৩৩০-৩৫০ টাকা এবং দেশি মুরগি গত সপ্তাহের মতোই ৫৫০-৫৭০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

মুলাটোল আমতলা বাজারের মুরগি বিক্রেতা আল আমিন বলেন, ‘সাধারণত মাসের প্রথম সপ্তাহে মুরগির চাহিদা বেড়ে যায়। সেই তুলনায় সরবরাহ কম থাকলে দাম বাড়ে। তবে এই সপ্তাহে খুব একটা দাম বাড়েনি। যেটুকু বেড়েছে তা সামান্য।’

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, খুচরা বাজারে পোলট্রি মুরগির লাল ডিমের হালি বিক্রি হচ্ছে গত সপ্তাহের মতোই ৪৪-৪৫ টাকা। এছাড়া বাজারে গরুর মাংস ৭২০-৭৫০ টাকা এবং খাসির মাংস ১০০০-১১০০ টাকা অপরিবর্তিত রয়েছে।

খুচরা বাজারে এক লিটার বোতলজাত সয়াবিন তেল ২০০-২০৫ টাকা এবং খোলা সয়াবিন তেল ২০০-২২০ টাকা, মসুর ডাল (চিকন) গত সপ্তাহের মতোই ১৬০-১৮০ টাকা, মাঝারি ১০০-১১০ টাকা, মুগডাল ১৫০-১৬০ টাকা থেকে বেড়ে ১৬০-১৭০ টাকা, বুটের ডাল ১১০-১২০ টাকা, খোলা চিনি ১০৫-১১০ টাকা, ছোলাবুট ৯০-১০০ টাকা, প্যাকেট আটা ৫৫-৬০ টাকা, খোলা আটা ৪০-৪৫ টাকা এবং প্যাকেট ময়দা ৬৫-৭০ টাকা থেকে বেড়ে ৭০-৭৫ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

চালের বাজার ঘুরে দেখা যায়, গত সপ্তাহের মতোই স্বর্ণা (মোটা) ৪৮-৫০ টাকা, স্বর্ণা (চিকন) ৫৫-৫৮ টাকা, বিআর২৮- ৬০-৬৫ টাকা, বিআর২৯- ৫৫-৬০ টাকা, জিরাশাইল ৫০-৬০ টাকা, মিনিকেট এবং নাজিরশাইল ৮০-৮৫ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

মাছের বাজার ঘুরে দেখা যায়, আকারভেদে রুইমাছ ৩০০-৩৮০ টাকা, ট্যাংরা ৪০০-৫৬০, পাবদা ৩৫০-৪০০ টাকা, মৃগেল ২২০-২৫০ টাকা, কারপিও ২৫০-২৬০ টাকা, পাঙাশ ১৫০-২৫০ টাকা, তেলাপিয়া ২০০-২৫০, কাতল ৩০০-৫০০ টাকা, বাটা ১৮০-২৪০ টাকা, শিং ৩০০-৪০০ টাকা, সিলভার কার্প ১৮০-২৬০ টাকা এবং গছিমাছ ৮০০-১২০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

Comments

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *