দেশের আবাসন খাতের সবচেয়ে বড় সংগঠন রিয়েল এস্টেট অ্যান্ড হাউজিং অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (রিহ্যাব)। অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্ব প্রকাশ্যে আসায় আলোচনায় সংগঠনটি।
প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিলে দুই কোটি টাকা অনুদান, পরিচালনা পর্ষদের সিদ্ধান্ত গ্রহণের প্রক্রিয়া, অভিযোগ-পাল্টা অভিযোগ ও বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের হস্তক্ষেপ- সব মিলিয়ে সংগঠনটির কার্যক্রমে তৈরি হয়েছে অস্বস্তিকর পরিস্থিতি।
আপাতদৃষ্টিতে অভ্যন্তরীণ মতবিরোধ মনে হলেও এর প্রভাব পড়তে পারে আবাসন খাতের ব্যবসায়িক পরিবেশ, বিনিয়োগকারীদের আস্থা ও ফ্ল্যাট ক্রেতাদের ওপরও। ফলে প্রশ্ন উঠছে- রিহ্যাব কি অভ্যন্তরীণ ঐক্যের পথে ফিরবে, নাকি অভিযোগের রাজনীতিতে সংগঠনটি আরও বিভক্ত হবে?
গত ১৮ এপ্রিল ২৯টি পরিচালক পদের জন্য নির্বাচন হয় রিহ্যাবে। ২২ জুলাই প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করে তহবিলে দুই কোটি চেক দেয় সংগঠনটি। বিষয়টি নিয়ে নিজেদের মধ্যে তৈরি হয় মতবিরোধ। ২৬ জুলাই বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে অভিযোগ দেয় একটি পক্ষ। পরে ৩০ জুলাই রিহ্যাবের এজিএম এক মাসের জন্য স্থগিত করে মন্ত্রণালয়। পক্ষ-বিপক্ষ মতবিরোধে এখন দ্বিধাবিভক্ত সংগঠনটির নেতারা।
যেভাবে শুরু হলো ‘বিতর্ক’
বিতর্কের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিলে রিহ্যাবের পক্ষ থেকে দুই কোটি টাকার অনুদান। পরিচালনা পর্ষদের ১০ জন নির্বাচিত সদস্যের অভিযোগ, অনুদানসহ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত বোর্ডের যথাযথ অনুমোদন ছাড়া নেওয়া হয়েছে।
তাদের দাবি, সংগঠনের গঠনতন্ত্র ও প্রশাসনিক প্রক্রিয়া যথাযথভাবে অনুসরণ করা হয়নি। যদিও পরিচালনা পর্ষদ থেকে প্রধানমন্ত্রীর অনুদানের বিষয়টা নীতিগত অনুমোদন হয়। তবে একটি পক্ষের অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে তারা সরাসরি বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে লিখিত অভিযোগ করেন। অভিযোগের শুনানি অনুষ্ঠিত হয় গত ৩০ জুলাই।
এজিএম স্থগিত, তদন্তের সিদ্ধান্ত
চার ঘণ্টার দীর্ঘ শুনানির পর বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের বাণিজ্য সংস্থা অনুবিভাগ (ডিটিও) অভিযোগগুলো আরও গভীরভাবে যাচাইয়ের প্রয়োজনীয়তা উল্লেখ করে রিহ্যাবের নির্ধারিত বার্ষিক সাধারণ সভা (এজিএম) এক মাসের জন্য স্থগিত করে।
একই সঙ্গে অভিযোগ তদন্তে একটি উচ্চপর্যায়ের নিরপেক্ষ তদন্ত কমিটি গঠনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। আগামী এক মাসের মধ্যে কমিটি প্রতিবেদন দেবে। সেই প্রতিবেদনের ভিত্তিতেই নেওয়া হবে পরবর্তী সিদ্ধান্ত।
তবে মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, এজিএম স্থগিত হলেও রিহ্যাবের নিয়মিত কার্যক্রম, সদস্য সেবা ও ফ্ল্যাট ক্রেতাদের অভিযোগ নিষ্পত্তিসহ অন্য কার্যক্রম স্বাভাবিক থাকবে।
১৯ পরিচালকের পাল্টা অবস্থান
অভিযোগ ওঠার পরপরই পরিচালনা পর্ষদের ২৯ সদস্যের মধ্যে ১৯ জন নির্বাচিত পরিচালক আলাদাভাবে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে চিঠি দিয়ে বর্তমান নেতৃত্বের প্রতি সমর্থন জানান। তাদের দাবি, রিহ্যাবের দ্বিতীয় বোর্ড সভায়ই প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিলে অনুদান দেওয়ার নীতিগত সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছিল। যদিও সেখানে অনুদানের নির্দিষ্ট পরিমাণ উল্লেখ ছিল না।
পরবর্তীসময়ে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাতের সময় আকস্মিকভাবে নির্ধারিত হওয়ায় নতুন বোর্ড সভা ডাকার সুযোগ ছিল না। ফলে আগের নীতিগত সিদ্ধান্তের ভিত্তিতেই দুই কোটি টাকার চেক হস্তান্তর করা হয়। দ্বিতীয় বোর্ড সভার কার্যবিবরণীতেও প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিলে অনুদান দেওয়ার বিষয়ে সিদ্ধান্তের উল্লেখ রয়েছে বলে দাবি করেন তারা।
তাদের ভাষ্য, যেহেতু নীতিগত অনুমোদন আগে থেকেই ছিল এবং অর্থের পরিমাণ ভাইস প্রেসিডেন্টদের আলোচনায় নির্ধারণ করা হয়েছে, তাই সভাপতির এই পদক্ষেপকে নিয়মবহির্ভূত বলা যায় না।
তাদের আরও দাবি, প্রয়োজন হলে পোস্ট-ফ্যাক্টো (কোনো কাজ ঘটার পর তার ওপর ভিত্তি করে নতুন নিয়ম বা সিদ্ধান্ত নেওয়া) অনুমোদনের সুযোগও রয়েছে।
‘অনুদান’ না বলে ‘২ কোটি টাকা ব্যয়’ নিয়ে আপত্তি নেতৃত্বের
বর্তমান নেতৃত্বের ঘনিষ্ঠ পরিচালকদের অভিযোগ, যারা অনিয়মের অভিযোগ তুলছেন, তারা বারবার ‘দুই কোটি টাকা ব্যয়’ হওয়ার কথা বললেও একবারও উল্লেখ করছেন না যে অর্থটি প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিলে অনুদান হিসেবে দেওয়া হয়েছে।
তাদের মতে, একটি মানবিক উদ্যোগকে রাজনৈতিক বিতর্কে রূপ দেওয়ার চেষ্টা করা হচ্ছে।
সংকটের কেন্দ্রবিন্দু অনুদান, নাকি আস্থার ঘাটতি?
বর্তমান সংকটের কেন্দ্রে শুধু দুই কোটি টাকার অনুদান নয়, বরং সিদ্ধান্ত গ্রহণের স্বচ্ছতা, বোর্ডের অভ্যন্তরীণ যোগাযোগ ও পারস্পরিক আস্থার ঘাটতি বলে মনে করেন অনেকে।
রিহ্যাবের একপক্ষ বিষয়টিকে প্রশাসনিক অনিয়ম হিসেবে দেখছে, অন্যপক্ষ বলছে এটি মানবিক সিদ্ধান্ত কেন্দ্র করে সৃষ্ট রাজনৈতিক বিতর্ক। চূড়ান্ত সত্যতা নির্ভর করছে তদন্ত কমিটির প্রতিবেদনের ওপর।
এখন যে প্রশ্নগুলো সামনে এসেছে তার মধ্যে রয়েছে- অনুদান দেওয়ার ক্ষেত্রে গঠনতন্ত্র যথাযথভাবে অনুসরণ করা হয়েছিল কি না, পোস্ট-ফ্যাক্টো অনুমোদনের সুযোগ এক্ষেত্রে প্রযোজ্য কি না, অভিযোগগুলো প্রশাসনিক প্রক্রিয়ার সীমাবদ্ধতা কি না, নাকি গুরুতর অনিয়ম, ভবিষ্যতে রিহ্যাব কি অভ্যন্তরীণ সংলাপের মাধ্যমে মতবিরোধ মেটাতে পারবে?
আবাসন খাত বর্তমানে অর্থনৈতিক মন্দা, নির্মাণ ব্যয় বৃদ্ধি ও ক্রেতাদের আস্থার সংকটসহ একাধিক চ্যালেঞ্জের মুখে। এমন সময়ে দেশের সবচেয়ে বড় আবাসন সংগঠনের অভ্যন্তরীণ বিরোধ শুধু নেতৃত্বের প্রশ্ন নয়, পুরো শিল্পের জন্যই গুরুত্বপূর্ণ।
সূত্র বলছে, তদন্ত কমিটির প্রতিবেদন এই বিতর্কের আইনি ও প্রশাসনিক দিক স্পষ্ট করবে। তবে সংগঠনের দীর্ঘমেয়াদি স্থিতিশীলতার জন্য সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হবে অভিযোগ ও পাল্টা অভিযোগের রাজনীতি পেছনে ফেলে সদস্যদের মধ্যে আস্থা ফিরিয়ে আনা এবং অভ্যন্তরীণ গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া আরও শক্তিশালী করা।
এ ধরনের বিরোধ বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে না নিয়ে সংগঠনের ভেতরে বিশেষ সাধারণ সভা (ইজিএম) বা আলোচনার মাধ্যমে সমাধান করা যেত। এমন বিরোধ সংগঠনের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করে।-রিহ্যাবের সাবেক সভাপতি প্রকৌশলী মোহাম্মদ আবদুল আউয়াল
রিহ্যাবের সাবেক সভাপতি ও দ্য স্ট্রাকচারাল ইঞ্জিনিয়ার্স লিমিটেডের (এসইএল) ব্যবস্থাপনা পরিচালক প্রকৌশলী মোহাম্মদ আবদুল আউয়াল মনে করেন, ‘এ ধরনের বিরোধ বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে না নিয়ে সংগঠনের ভেতরে বিশেষ সাধারণ সভা (ইজিএম) বা আলোচনার মাধ্যমে সমাধান করা যেত। এমন বিরোধ সংগঠনের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করে।’
তিনি বলেন, ‘আবাসন খাত এমনিতেই কঠিন সময় পার করছে। করোনা-পরবর্তী অর্থনৈতিক চাপ, ইউক্রেন যুদ্ধের প্রভাব, মূল্যস্ফীতি ও নির্মাণসামগ্রীর মূল্যবৃদ্ধির কারণে ফ্ল্যাট বিক্রি কমেছে। নতুন প্রকল্পও কমে গেছে। এর সঙ্গে বিদ্যুৎ, গ্যাস ও পরিবহন ব্যয় বৃদ্ধির ফলে নির্মাণ ব্যয়ও বেড়েছে, যার চাপ শেষ পর্যন্ত ক্রেতাদের ওপরই পড়বে।’
কেন মন্ত্রণালয়ে গেল বিরোধ?
সংগঠনের ভেতরের একাধিক সূত্র বলছে, প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাতের অনুষ্ঠানে সব ভাইস প্রেসিডেন্ট ও পরিচালককে অন্তর্ভুক্ত না করায় কিছু সদস্যের মধ্যে অসন্তোষ তৈরি হয়।
আমরা বিভাজনের রাজনীতিতে বিশ্বাস করি না। নির্বাচনের পর সবাইকে নিয়েই সংগঠন পরিচালনা শুরু করেছি। গুরুত্বপূর্ণ কমিটিগুলোর চেয়ারম্যানও অভিযোগকারী ভাই-বোনদের মধ্যে থেকেই করা হয়েছে।-রিহ্যাব সভাপতি ড. আলী আফজাল
এ বিষয়ে রিহ্যাব সভাপতি ড. আলী আফজালের বক্তব্য, তিনি পাঁচ সদস্যের একটি তালিকা পাঠিয়েছিলেন। তবে প্রধানমন্ত্রীর দপ্তর থেকে চূড়ান্তভাবে তার সঙ্গে মাত্র দুজনকে অনুমোদন দেওয়া হয়। ফলে কারা যাবেন, সেটি রিহ্যাব এককভাবে নির্ধারণ করেনি।
রিহ্যাব সভাপতি ড. আলী আফজাল জাগো নিউজকে বলেন, ‘আমরা বিভাজনের রাজনীতিতে বিশ্বাস করি না। নির্বাচনের পর সবাইকে নিয়েই সংগঠন পরিচালনা শুরু করেছি। গুরুত্বপূর্ণ কমিটিগুলোর চেয়ারম্যানও অভিযোগকারী ভাই-বোনদের মধ্যে থেকেই করা হয়েছে।’
তার ভাষ্য, ‘আবাসন খাত বর্তমানে নানা চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি। তাই ছোটোখাটো মতপার্থক্য আলোচনা ও পারস্পরিক সমঝোতার মাধ্যমে সমাধান করেই এগিয়ে যাওয়া উচিত।’
আমাদের মূল লক্ষ্য সংগঠনকে আরও শক্তিশালী করা এবং আবাসন শিল্পের বিদ্যমান সমস্যাগুলোর কার্যকর সমাধান খুঁজে বের করা।-রিহ্যাবের সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট আব্দুর রাজ্জাক
পরিচালনা পর্ষদের ১০ সদস্য অভ্যন্তরীণ আলোচনার পথ না বেছে সরাসরি বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে যাওয়ায় সংগঠনের কার্যক্রমে অচলাবস্থা তৈরি হয়েছে। কোনো মতপার্থক্য থাকলে প্রথমে বোর্ডের ভেতরে আলোচনা হওয়া উচিত ছিল।
রিহ্যাবের সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট আব্দুর রাজ্জাকের অভিযোগ, ‘পরিচালনা পর্ষদের ১০ সদস্য অভ্যন্তরীণ আলোচনার পথ না বেছে সরাসরি বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে যাওয়ায় সংগঠনের কার্যক্রমে অচলাবস্থা তৈরি হয়েছে। কোনো মতপার্থক্য থাকলে প্রথমে বোর্ডের ভেতরে আলোচনা হওয়া উচিত ছিল। সরাসরি মন্ত্রণালয়ে যাওয়ায় সংগঠনের ভাবমূর্তি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।’
‘প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিলে অনুদান কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের স্বার্থে নয়, বরং দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের সহায়তার জন্য মানবিক বিবেচনায় দেওয়া হয়েছিল। অডিটে প্রশ্ন উঠলেও পোস্ট-ফ্যাক্টো অনুমোদনের মাধ্যমে বিষয়টির নিয়মতান্ত্রিক সমাধান সম্ভব।’
এমনকি বোর্ড অনুমোদন না দিলে সভাপতি নিজস্ব অর্থ থেকে ওই টাকা পরিশোধ করবেন বলেও ঘোষণা দিয়েছেন বলে জানান তিনি।
আব্দুর রাজ্জাক বলেন, ‘গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিলে অনুদান দেওয়ার অনুরোধ জানালে রিহ্যাব নীতিগত সিদ্ধান্ত নেয়। রিহ্যাবের ফান্ড পর্যাপ্ত না থাকায় রূপায়ণ তহবিল থেকে এক কোটি টাকা ঋণ নিয়ে রিহ্যাবের পক্ষ থেকে মোট দুই কোটি টাকা দেওয়া হয়।’
মোট ছয়টি সদস্য প্রতিষ্ঠান (রূপায়ণ, ইস্টার্ন হাউজিং, আমিন মোহাম্মদ ফাউন্ডেশন, ইউনাইটেড গ্রুপ, ইউএস-বাংলা ও স্বদেশ) ১২ কোটি টাকা এবং রিহ্যাবের দুই কোটি টাকাসহ মোট ১৪ কোটি টাকার চেক প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিবের কাছে হস্তান্তর করা হয়।
অভিযোগকারী পক্ষের বক্তব্য দিতে অস্বীকৃতি
অভিযোগকারী পক্ষের অন্যতম নেতা ও রিহ্যাবের প্রথম ভাইস প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ আক্তার বিশ্বাসের সঙ্গে একাধিকবার হোয়াটসঅ্যাপে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি সাড়া দেননি।
লিখিত প্রশ্ন পাঠানো হলেও জবাব দেননি। তবে গত ২৮ জুলাই এ বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘আমি এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিক চিঠি পাইনি। তাই এ বিষয়ে মন্তব্য করতে পারবো না।’
যা বলছে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়
চার ঘণ্টার শুনানিতে এত বড় অভিযোগের সত্য-মিথ্যা নির্ধারণ সম্ভব নয়। তাই নিরপেক্ষ তদন্ত কমিটি গঠন করা হচ্ছে। তাদের সুপারিশের ভিত্তিতেই পরবর্তী সিদ্ধান্ত হবে।-বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব (ডিটিও) মোহাম্মদ মোস্তফা জামাল হায়দার
এ বিষয়ে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব (ডিটিও) মোহাম্মদ মোস্তফা জামাল হায়দার জাগো নিউজকে বলেন, ‘অভিযোগগুলোর মধ্যে কিছু বিষয় প্রক্রিয়াগত ভুল হতে পারে, আবার কিছু অভিযোগ নৈতিক প্রশ্নও তৈরি করতে পারে।’
তার ভাষ্য, ‘চার ঘণ্টার শুনানিতে এত বড় অভিযোগের সত্য-মিথ্যা নির্ধারণ সম্ভব নয়। তাই নিরপেক্ষ তদন্ত কমিটি গঠন করা হচ্ছে। তাদের সুপারিশের ভিত্তিতেই পরবর্তী সিদ্ধান্ত হবে।’
তিনি বলেন, ‘দুই পক্ষের মধ্যে সদস্য সংখ্যার ভারসাম্য ও ব্যক্তিগত মতবিরোধও বর্তমান সংকটের অন্যতম কারণ। তবে প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিলে অনুদান দেওয়া হয়েছে এটা ঠিক। আমরা দুই পক্ষকে বসে সমাধান করার জন্য বলেছি, এটা হলে ভালো সমাধান এলো।’
ইএআর/এএসএ/ এমএফএ

Leave a Reply